ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রোজা অবস্থায় অজু বা গোসলের সময় গলায় পানি গেলে করণীয় কি?

খবরের কথা ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

 

রমজান মাসে রোজা রাখা একজন মুসলমানের জন্য ফরজ। তবে রোজা রাখার সময় অজু ও গোসলের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে। বিশেষ করে, নাক, কান, এবং গলায় পানি প্রবেশ করা থেকে সাবধান থাকতে হবে। কেননা, যদি পানি পেটে চলে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে এবং তা পূর্ণ করতে কাজা আদায় করতে হবে। তবে কাফফারা লাগবে না। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা: ৬/২৬০)

এছাড়া, যদি কোনো ব্যক্তি রোজা রাখার সময় ভুলে গড়িয়ে বা গড়গড়া করার সময় পানি গলায় চলে যায়, তবে এতে রোজা ভাঙবে না। কারণ ভুলবশত কোনো কাজ করলে রোজা বা সাধনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। রোজার কাজা বা কাফফারা আদায় করতে হবে না। আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে, কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।” (মুসলিম: ১/২০২)

ফিকহের কিতাবে বর্ণিত আছে, রোজা রাখার সময় কুলি বা নাকে পানি দেওয়ার অনুমতি রয়েছে, তবে তা অবশ্যই সাবধানে করতে হবে। গড়গড়া করে কুলি করা বা নাকের পানি জোরে টান দেয়া যাবে না। (আপকে মাসায়েল আউর উনকা হল: ২৮৩)

তবে, যদি কেউ ভুলে পানাহার বা সহবাস করে ফেলে, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না, কারণ তিনি মনে করেননি যে, সে রোজা রাখছেন। তবে, মনে পড়ার পর অবিলম্বে সেই কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। (রদ্দুল মুহতার, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩৬৫)

এই সতর্কতাগুলো রোজা রাখা ও ইসলামী নিয়ম মেনে চলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫
৫২৩ বার পড়া হয়েছে

রোজা অবস্থায় অজু বা গোসলের সময় গলায় পানি গেলে করণীয় কি?

আপডেট সময় ১২:০৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

 

রমজান মাসে রোজা রাখা একজন মুসলমানের জন্য ফরজ। তবে রোজা রাখার সময় অজু ও গোসলের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে। বিশেষ করে, নাক, কান, এবং গলায় পানি প্রবেশ করা থেকে সাবধান থাকতে হবে। কেননা, যদি পানি পেটে চলে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে এবং তা পূর্ণ করতে কাজা আদায় করতে হবে। তবে কাফফারা লাগবে না। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা: ৬/২৬০)

এছাড়া, যদি কোনো ব্যক্তি রোজা রাখার সময় ভুলে গড়িয়ে বা গড়গড়া করার সময় পানি গলায় চলে যায়, তবে এতে রোজা ভাঙবে না। কারণ ভুলবশত কোনো কাজ করলে রোজা বা সাধনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। রোজার কাজা বা কাফফারা আদায় করতে হবে না। আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে, কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।” (মুসলিম: ১/২০২)

ফিকহের কিতাবে বর্ণিত আছে, রোজা রাখার সময় কুলি বা নাকে পানি দেওয়ার অনুমতি রয়েছে, তবে তা অবশ্যই সাবধানে করতে হবে। গড়গড়া করে কুলি করা বা নাকের পানি জোরে টান দেয়া যাবে না। (আপকে মাসায়েল আউর উনকা হল: ২৮৩)

তবে, যদি কেউ ভুলে পানাহার বা সহবাস করে ফেলে, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না, কারণ তিনি মনে করেননি যে, সে রোজা রাখছেন। তবে, মনে পড়ার পর অবিলম্বে সেই কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। (রদ্দুল মুহতার, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩৬৫)

এই সতর্কতাগুলো রোজা রাখা ও ইসলামী নিয়ম মেনে চলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।