ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
খামেনির উত্তরসূরি কে? আলোচনায় ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানি হামলায় আহত দুই প্রবাসীকে দেখতে হাসপাতালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইরানের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সাহায্যের প্রস্তাব ইউক্রেনের আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ঘোষণা পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নেপালে জেন-জি প্রজন্মের জোয়ার; নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থানে রায় দিচ্ছে ভোটাররা আত্মসমর্পণ করবে না হিজবুল্লাহ খুলনায় শ্রমিক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা, আটক ১ ভারত মহাসাগরে ডুবল ইরানের যুদ্ধজাহাজ, ৮৭ মরদেহ উদ্ধার দুবাই পালাতে চড়া খরচ!

এশিয়ার অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে যৌথ রোডম্যাপের আহ্বান ড. ইউনূসের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 207

ছবি: সংগৃহীত

 

চীনের হাইনানে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এক অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ), তিনি বলেন বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এশিয়ার দেশগুলোর ভবিষ্যৎ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে তিনি এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে একটি অভিন্ন ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  গ্রেটার ইউরেশিয়ান পার্টনারশিপ: ইউরোপ ও এশিয়ার বাণিজ্য সম্ভাবনা

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের স্রোতে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা এখন আর কেবল একটি ধারণা নয়, এটি বাস্তবতা। আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যৌথ পদক্ষেপ ও ঐক্যবদ্ধ কৌশলের উপর।”

বিশ্বায়নের এই সময়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, “এশিয়াকে এখনই একটি টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা আমাদের নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম। আমাদের এমন একটি তহবিল প্রয়োজন, যা শুধু উন্নয়ন প্রকল্পেই নয়, বরং সংকট মোকাবেলায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে গঠিত এমন একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এশিয়াকে এগিয়ে নিতে পারে।

বোয়াও ফোরামটি এশিয়ার ‘ডাভোস’ হিসেবে পরিচিত। এটি বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও চিন্তাবিদদের একত্র করে আলোচনা ও দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

অধ্যাপক ইউনূসের এই আহ্বান কেবল অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এশিয়ার জন্য একটি মানবিক, সহযোগিতামূলক ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে যেখানে সবাই মিলে গড়ে তুলবে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এশিয়ার অভিন্ন ভবিষ্যৎ গঠনে যৌথ রোডম্যাপের আহ্বান ড. ইউনূসের

আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

চীনের হাইনানে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এক অনুপ্রেরণামূলক ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ), তিনি বলেন বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এশিয়ার দেশগুলোর ভবিষ্যৎ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে তিনি এশিয়ার নেতৃবৃন্দকে একটি অভিন্ন ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা জুলাইয়ে: নির্বাচন কমিশনার

ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, “বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের স্রোতে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা এখন আর কেবল একটি ধারণা নয়, এটি বাস্তবতা। আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যৌথ পদক্ষেপ ও ঐক্যবদ্ধ কৌশলের উপর।”

বিশ্বায়নের এই সময়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, “এশিয়াকে এখনই একটি টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা আমাদের নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষম। আমাদের এমন একটি তহবিল প্রয়োজন, যা শুধু উন্নয়ন প্রকল্পেই নয়, বরং সংকট মোকাবেলায়ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে গঠিত এমন একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই এশিয়াকে এগিয়ে নিতে পারে।

বোয়াও ফোরামটি এশিয়ার ‘ডাভোস’ হিসেবে পরিচিত। এটি বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও চিন্তাবিদদের একত্র করে আলোচনা ও দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

অধ্যাপক ইউনূসের এই আহ্বান কেবল অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এশিয়ার জন্য একটি মানবিক, সহযোগিতামূলক ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে যেখানে সবাই মিলে গড়ে তুলবে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ।