ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের নাম যুক্ত করে ত্রয়োদশ সংসদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত নতুন নোট বিক্রি বেআইনি, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলেন আহমেদ আযম খান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ড. মোহাম্মদ ইউনূস বিএনপির স্থায়ী কমিটির পদ ছাড়লেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ যুদ্ধ ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে আরো শক্তিশালী করে ফেলবে— ইরানি গণতন্ত্রকামীদের মত যুদ্ধ বন্ধে ৩ শর্ত ইরানের; অন্যথায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বাণিজ্য তদন্ত: বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের শুল্ক অস্থিরতার শঙ্কা চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেন আপিল বিভাগ

সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 176

ছবি সংগৃহীত

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার, যার মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা আছেন ৬ হাজার ৫৩৯ জন। এর মধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের সম্পদের হিসাব মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। তবে, যারা সম্পদ বিবরণী জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়, এবং নির্ধারিত সময়সীমার কয়েকটি বাড়ানোর পর, শেষ সময় ছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি। এখন পর্যন্ত ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও, কতজন কর্মচারী তাদের হিসাব জমা দিয়েছেন, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় উগ্রপন্থি সংগঠনের অভিযোগে ৩৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৩১, এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা ৬ হাজার ৫৩৯ জন। মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারী সংখ্যা ৫ হাজার ৯৫১, এবং জেলা প্রশাসনসহ ৫৩ হাজার ২৫১ কর্মচারী আছেন। উল্লেখযোগ্য যে, ক্যাডার কর্মকর্তারা তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়বদ্ধ, তবে অন্যদের নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন। তবে, যাঁরা জমা দেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভাগীয় কমিশনার অফিস এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ কর্মচারী তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন। তবে, সেগুলোর পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

পঞ্চগড়ের ডিসি সাবেত আলী এবং শেরপুরের ডিসি তরফদার মাহমুদুর রহমানও একই মত প্রকাশ করেছেন, এবং তাদের অফিসে জমা দেওয়া বিবরণী সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তারা বলেন, যারা জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৩:২০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার, যার মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা আছেন ৬ হাজার ৫৩৯ জন। এর মধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের সম্পদের হিসাব মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। তবে, যারা সম্পদ বিবরণী জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়, এবং নির্ধারিত সময়সীমার কয়েকটি বাড়ানোর পর, শেষ সময় ছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি। এখন পর্যন্ত ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও, কতজন কর্মচারী তাদের হিসাব জমা দিয়েছেন, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে।

আরও পড়ুন  শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ না হলে মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা

মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯৩১, এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তা ৬ হাজার ৫৩৯ জন। মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারী সংখ্যা ৫ হাজার ৯৫১, এবং জেলা প্রশাসনসহ ৫৩ হাজার ২৫১ কর্মচারী আছেন। উল্লেখযোগ্য যে, ক্যাডার কর্মকর্তারা তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়বদ্ধ, তবে অন্যদের নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন। তবে, যাঁরা জমা দেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভাগীয় কমিশনার অফিস এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ কর্মচারী তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন। তবে, সেগুলোর পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

পঞ্চগড়ের ডিসি সাবেত আলী এবং শেরপুরের ডিসি তরফদার মাহমুদুর রহমানও একই মত প্রকাশ করেছেন, এবং তাদের অফিসে জমা দেওয়া বিবরণী সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তারা বলেন, যারা জমা দেননি, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।