ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

কঙ্গোতে সংঘাতের তীব্রতা: জানুয়ারি থেকে নিহত ৭ হাজার, লাখো মানুষ আশ্রয়হীন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 141

ছবি সংগৃহীত

 

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো) এর পূর্বাঞ্চলে চলমান সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি ছাড়িয়েছে। সোমবার জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে পূর্ব কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রী জানায়, জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাতে প্রায় ৭ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জুডিথ সুমিনাওয়া তুলুকা জানান, সংঘাতের কারণে ৯০টি বাস্তুচ্যুত শিবির ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ফলে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি বলেন, “এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অগ্রযাত্রা, যা দীর্ঘ এক দশকের সংঘাতের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ, পূর্ব কঙ্গোতে যুদ্ধের নতুন আশঙ্কা তৈরি করেছে।”

আরও পড়ুন  গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট

তিনি আরও জানান, নর্থ কিভু প্রদেশের রাজধানী গোমায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, এবং পরিচয় শনাক্ত না করা প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনের মরদেহ ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ মর্গে ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি লাশ এখনও পড়ে রয়েছে।

এদিকে, রুয়ান্ডা সরকার কঙ্গো ও জাতিসংঘের অভিযোগ অস্বীকার করেছে যে তারা বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সুমিনাওয়া বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই সংঘাতের শিকার মানুষের অবর্ণনীয় যন্ত্রণাকে গুরুত্ব দিতে হবে।”

জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেসও এ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংকটে পড়েছে, এবং কঙ্গোতে এই লঙ্ঘন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।”

চলমান সংকটের দ্রুত সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর পদক্ষেপ জরুরি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কঙ্গোতে সংঘাতের তীব্রতা: জানুয়ারি থেকে নিহত ৭ হাজার, লাখো মানুষ আশ্রয়হীন

আপডেট সময় ১২:০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো) এর পূর্বাঞ্চলে চলমান সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি ছাড়িয়েছে। সোমবার জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে পূর্ব কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রী জানায়, জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হওয়া এ সংঘাতে প্রায় ৭ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জুডিথ সুমিনাওয়া তুলুকা জানান, সংঘাতের কারণে ৯০টি বাস্তুচ্যুত শিবির ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ফলে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি বলেন, “এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অগ্রযাত্রা, যা দীর্ঘ এক দশকের সংঘাতের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ, পূর্ব কঙ্গোতে যুদ্ধের নতুন আশঙ্কা তৈরি করেছে।”

আরও পড়ুন  গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট

তিনি আরও জানান, নর্থ কিভু প্রদেশের রাজধানী গোমায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, এবং পরিচয় শনাক্ত না করা প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনের মরদেহ ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ মর্গে ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি লাশ এখনও পড়ে রয়েছে।

এদিকে, রুয়ান্ডা সরকার কঙ্গো ও জাতিসংঘের অভিযোগ অস্বীকার করেছে যে তারা বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সুমিনাওয়া বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই সংঘাতের শিকার মানুষের অবর্ণনীয় যন্ত্রণাকে গুরুত্ব দিতে হবে।”

জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেসও এ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংকটে পড়েছে, এবং কঙ্গোতে এই লঙ্ঘন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।”

চলমান সংকটের দ্রুত সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর পদক্ষেপ জরুরি।