করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেট রণক্ষেত্র, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ
- আপডেট সময় ০২:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
- / 11
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান এবং তাতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবরে পাকিস্তানে তীব্র গণবিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
আজ রোববার করাচির মাই কোলাচি রোডে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হলে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভয়াবহ সংঘর্ষ বাধে, যাতে পুলিশ ও সাধারণ মানুষসহ অনেকেই আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করাচি পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ শুরু করলে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, আহতদের দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে করাচি সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে করাচির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শককে (এআইজি) দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, সংবেদনশীল স্থাপনার নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
বিক্ষোভের কারণে সকাল থেকেই করাচির গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে। সুলতানাবাদ ট্রাফিক সেকশন থেকে মাই কোলাচি অভিমুখে সড়কের উভয় পাশ বন্ধ করে দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।
জিন্নাহ ব্রিজ ও বোট বেসিন থেকে আসা যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি এড়াতে ট্রাফিক হেল্পলাইন ১৯১৫ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। করাচি ছাড়াও পাকিস্তানের অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও ইরানের ওপর এই হামলার প্রতিবাদে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

















