০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি জয় দিয়ে শুরু বাংলার বাঘিনিদের বাছাইপর্বের লড়াই ‘যথেষ্ট সংস্কার হলেও পুলিশ সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি’: আসিফ নজরুল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ স্থায়ী আসন পেতে দিতে হবে ১ বিলিয়ন ডলার। প্রস্তুতি না থাকায় ইরান হামলা থেকে ট্রাম্পকে থামালো ইসরায়েল। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিলো জার্মানি সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারে মা ও শিশুর পোড়া মরদেহ উদ্ধার ​নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ওবায়দুল কাদের ও সাদ্দামসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আজ অভিযোগ গঠনের শুনানি

ডেঙ্গু পরীক্ষার স্বাস্থ্য অধিদফতরকে ১৯ হাজার কিট প্রদান করলো চীন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 186

ছবি সংগৃহীত

 

 

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা ৪৪ জনে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যে দেশের ৬২টি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এ রোগ।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এমন অবস্থায় অনেক এলাকায় ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিটসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট দেখা দিচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে চীন সরকারের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ১৯ হাজার সেট কিট সরবরাহ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কিটগুলো স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে হস্তান্তর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তা ড. লিউ ইউয়িন।

অনুষ্ঠানে ড. লিউ ইউয়িন বলেন, “বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে এই সহায়তা দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে চীন বাংলাদেশের পাশে থাকবে।”

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানান, ‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর রেডজোন চিহ্নিত হয়েছে, সেসব জায়গায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের পাশাপাশি জনসচেতনতার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চীনের দেয়া কিটগুলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দ্রুত বিতরণ করা হবে, যাতে ডেঙ্গু রোগীদের শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রম আরও দ্রুতগতিতে পরিচালনা করা যায়।

ডা. সায়েদুর রহমান সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “প্রাথমিক অবস্থাতেই রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা গেলে জটিলতা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

ডেঙ্গু পরীক্ষার স্বাস্থ্য অধিদফতরকে ১৯ হাজার কিট প্রদান করলো চীন

আপডেট সময় ০৩:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

 

 

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা ৪৪ জনে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যে দেশের ৬২টি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এ রোগ।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এমন অবস্থায় অনেক এলাকায় ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিটসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট দেখা দিচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে চীন সরকারের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ১৯ হাজার সেট কিট সরবরাহ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কিটগুলো স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে হস্তান্তর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তা ড. লিউ ইউয়িন।

অনুষ্ঠানে ড. লিউ ইউয়িন বলেন, “বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে এই সহায়তা দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে চীন বাংলাদেশের পাশে থাকবে।”

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানান, ‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর রেডজোন চিহ্নিত হয়েছে, সেসব জায়গায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের পাশাপাশি জনসচেতনতার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চীনের দেয়া কিটগুলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দ্রুত বিতরণ করা হবে, যাতে ডেঙ্গু রোগীদের শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রম আরও দ্রুতগতিতে পরিচালনা করা যায়।

ডা. সায়েদুর রহমান সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “প্রাথমিক অবস্থাতেই রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা গেলে জটিলতা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।