০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে: তারেক রহমান প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু শাকিবের সঙ্গে ‘প্রেম’ নিয়ে মুখ খুললেন ফারিয়া ত্রিশালে যমুনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ট্রাক দুমড়ে যাওয়ায় চালক আহত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২২ সেনাসহ নিহত ২৫৫ জন জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত: ইসি সচিব আরব সাগরে ইরানি ড্রোনকে ধ্বংস করল মার্কিন এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমান কোচিং সেন্টার বন্ধসহ নানা নিয়মের শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত

পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: দগ্ধ ১৩ জনের কেউই শঙ্কামুক্ত নয়, প্রাণ হারিয়েছেন একজন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 178

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে একটি পাঁচতলা ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। তাঁদের সবাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। শ্বাসনালির মারাত্মক ক্ষতিতে কেউই শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন আমিন উদ্দিন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ।

আগুনে আহতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন ইকবাল (৪০), তাঁর মা মমতাজ বেগম (৭৫), স্ত্রী ইসরাত জাহান (৩৬), দুই মেয়ে ইসয়াত (৫) ও ইসতিমাম (১১), এবং ভাগ্নি মুশফিকা (২০)। এছাড়া চিকিৎসাধীন আছেন মো. ইউনুস মিয়া (৭৪), স্ত্রী রাহেলা খাতুন (৬০), ছেলে বুলবুল (৩৭), মো. আমিন (২৩), মেয়ে মোছা. শিল্পী (৪২), নাতি তালহা (৪) এবং দোকানকর্মী শাকিব হোসেন (২২)।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, মমতাজ ও মুশফিকাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। বাকি সবাইকে সাধারণ ওয়ার্ডে পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও কারোর অবস্থাই স্থিতিশীল নয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সোমবার ভোর ৪টা ১০ মিনিটে ভবনের নিচতলায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে সাতটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. শাহজাহান জানান, আগুনে ভবনের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলা থেকে মোট ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়।

প্রাণ হারানো আমিন উদ্দিন যশোরের দক্ষিণ সুরমার আলী আকবরের ছেলে। তিনি ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি আসবাবপত্রের দোকানে থাকতেন এবং রাতেও সেখানেই ঘুমাতেন। প্রচণ্ড ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়লে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে ভবনের নিচতলায় অবস্থিত একটি লেপ-তোশকের দোকান থেকে। মুহূর্তেই ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় পুরো ভবন। ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: দগ্ধ ১৩ জনের কেউই শঙ্কামুক্ত নয়, প্রাণ হারিয়েছেন একজন

আপডেট সময় ০৫:১০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে একটি পাঁচতলা ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। তাঁদের সবাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। শ্বাসনালির মারাত্মক ক্ষতিতে কেউই শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন আমিন উদ্দিন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধ।

আগুনে আহতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন ইকবাল (৪০), তাঁর মা মমতাজ বেগম (৭৫), স্ত্রী ইসরাত জাহান (৩৬), দুই মেয়ে ইসয়াত (৫) ও ইসতিমাম (১১), এবং ভাগ্নি মুশফিকা (২০)। এছাড়া চিকিৎসাধীন আছেন মো. ইউনুস মিয়া (৭৪), স্ত্রী রাহেলা খাতুন (৬০), ছেলে বুলবুল (৩৭), মো. আমিন (২৩), মেয়ে মোছা. শিল্পী (৪২), নাতি তালহা (৪) এবং দোকানকর্মী শাকিব হোসেন (২২)।

বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, মমতাজ ও মুশফিকাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। বাকি সবাইকে সাধারণ ওয়ার্ডে পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও কারোর অবস্থাই স্থিতিশীল নয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সোমবার ভোর ৪টা ১০ মিনিটে ভবনের নিচতলায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে সাতটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. শাহজাহান জানান, আগুনে ভবনের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলা থেকে মোট ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়।

প্রাণ হারানো আমিন উদ্দিন যশোরের দক্ষিণ সুরমার আলী আকবরের ছেলে। তিনি ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি আসবাবপত্রের দোকানে থাকতেন এবং রাতেও সেখানেই ঘুমাতেন। প্রচণ্ড ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়লে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে ভবনের নিচতলায় অবস্থিত একটি লেপ-তোশকের দোকান থেকে। মুহূর্তেই ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় পুরো ভবন। ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।