০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

ঋণখেলাপি ইস্যুতে মান্নার রিট বাতিল, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 109

ছবি: সংগৃহীত

 

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে করা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থী হওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

[bsa_pro_ad_space id=2]

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না আদালতে রিট করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ না করায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারালেন।

আদালতে মান্নার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। শুনানি শেষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা থেকে মান্নার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে প্রায় ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ আদায়ের জন্য গত ১০ ডিসেম্বর ‘কলব্যাক নোটিশ’ পাঠানো হয়।
নোটিশটি পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায়।

প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় মাহমুদুর রহমান মান্নার অংশ ৫০ শতাংশ, আর বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে ২৫ শতাংশ করে অংশীদার এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু।
ব্যাংকের নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

ঋণখেলাপি ইস্যুতে মান্নার রিট বাতিল, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে করা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থী হওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

[bsa_pro_ad_space id=2]

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না আদালতে রিট করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ না করায় তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারালেন।

আদালতে মান্নার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। শুনানি শেষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা থেকে মান্নার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের কাছে প্রায় ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ আদায়ের জন্য গত ১০ ডিসেম্বর ‘কলব্যাক নোটিশ’ পাঠানো হয়।
নোটিশটি পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানায়।

প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় মাহমুদুর রহমান মান্নার অংশ ৫০ শতাংশ, আর বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে ২৫ শতাংশ করে অংশীদার এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু।
ব্যাংকের নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।