০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
শিরোনাম :
শিশু সাজিদের মৃত্যু: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ মানুষকে ভয় দেখাতেই এসব হামলা: রিজওয়ানা আটকের পর যা বললেন গুলিতে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক হান্নান মোহাম্মদপুরে মা–মেয়েকে হত্যা: গৃহকর্মী আয়েশা ঝালকাঠিতে গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হচ্ছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ঢাকা-১১ আসনে নির্বাচন করবেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম থাই–কাম্বোডিয়া সীমান্তে পুনরায় উত্তেজনা: অস্ত্রবিরতি ভেঙে বিমান হামলা, নিহত ১ সৈন্য ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল জার্মান সেনাবাহিনী বাড়ছে: ২০৩৫ সালের মধ্যে ২,৬০,০০০ সক্রিয় সদস্যের লক্ষ্য অনুমোদন মধ্যপ্রাচ্যের কঠিনতম পানি প্রকল্প সম্পন্ন করল ইরান

ভারত ম্যাচে ঐতিহাসিক জয়, মোরছালিনের চোখে আলাদা অনুপ্রেরণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 103

ছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন আত্মবিশ্বাসের নাম হয়ে উঠেছেন তরুণ ফরোয়ার্ড শেখ মোরছালিন। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে তার অসাধারণ গোলেই ২২ বছর পর ভারতের বিরুদ্ধে স্মরণীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচশেষে তিনি জানালেন, এই জয় দলের সবাইকে যেমন স্বস্তি দিয়েছে, তেমনি দেশের মানুষের মুখেও আনন্দ ফিরিয়েছে।

মোরছালিনের ভাষায়, ম্যাচটি জেতা দলের জন্য ছিল অত্যন্ত জরুরি এবং সবাই সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল। ভারতের বিপক্ষে খেললে আলাদা এক শক্তি কাজ করে—এটা তাকে আরও প্রেরণা জোগায়। দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে এই ম্যাচে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা বেশি থাকে, আর এবার ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় সবাই নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ দেখেছিল।

বিজ্ঞাপন

নিজের গোল নিয়ে মোরছালিন জানান, তিনি আলাদা করে কিছু ভাবেননি; সবকিছু এসেছে আল্লাহর রহমতে। রাকিবের নিখুঁত অ্যাসিস্ট ছাড়া গোলটি করা সম্ভব হতো না বলেও স্বীকার করেন তিনি। তাই রাকিবকে শতভাগ নম্বর দিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। জাতীয় দলের জার্সিতে ভারতের বিপক্ষে করা গোলটিকেই নিজের সেরা গোল হিসেবে মানেন মোরছালিন, আর ভারতের বিরুদ্ধে পাওয়া জয়টাকেই সবচেয়ে মূল্যবান। ম্যাচশেষে ড্রেসিংরুম থেকে হোটেল পর্যন্ত পুরো দলই দারুণভাবে উদ্‌যাপন করেছে এই সাফল্য—কষ্টের পর পাওয়া জয় বলে সবারই আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো।

হামজা–শমিতদের আগমনে ফুটবলে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। দর্শকরা মাঠে আসছেন, খেলোয়াড়দের মধ্যেও বেড়েছে পরিশ্রম ও প্রতিযোগিতার ইতিবাচক মানসিকতা। মোরছালিনের মতে, এমন মানসম্পন্ন খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেললে নিজেরও উন্নতি হয়; দল এখন বলের দখল ধরে রাখতে পারছে, নিয়মিত গোলও হচ্ছে, আর শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়ার মানসিকতাও বেড়েছে। দলের ভেতরে কোনো নেতিবাচক প্রতিযোগিতা নেই বলেও জানান তিনি।

হামজাকে তিনি দলের মেসির সঙ্গে তুলনা করেছেন, যিনি প্রয়োজনের সময় আলো ছড়ান। সামনে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে মোরছালিন আশাবাদী। তার বিশ্বাস, দল ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধেও ইতিবাচক ফল আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত ম্যাচে ঐতিহাসিক জয়, মোরছালিনের চোখে আলাদা অনুপ্রেরণা

আপডেট সময় ১০:৫৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন আত্মবিশ্বাসের নাম হয়ে উঠেছেন তরুণ ফরোয়ার্ড শেখ মোরছালিন। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে তার অসাধারণ গোলেই ২২ বছর পর ভারতের বিরুদ্ধে স্মরণীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচশেষে তিনি জানালেন, এই জয় দলের সবাইকে যেমন স্বস্তি দিয়েছে, তেমনি দেশের মানুষের মুখেও আনন্দ ফিরিয়েছে।

মোরছালিনের ভাষায়, ম্যাচটি জেতা দলের জন্য ছিল অত্যন্ত জরুরি এবং সবাই সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল। ভারতের বিপক্ষে খেললে আলাদা এক শক্তি কাজ করে—এটা তাকে আরও প্রেরণা জোগায়। দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে এই ম্যাচে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা বেশি থাকে, আর এবার ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় সবাই নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ দেখেছিল।

বিজ্ঞাপন

নিজের গোল নিয়ে মোরছালিন জানান, তিনি আলাদা করে কিছু ভাবেননি; সবকিছু এসেছে আল্লাহর রহমতে। রাকিবের নিখুঁত অ্যাসিস্ট ছাড়া গোলটি করা সম্ভব হতো না বলেও স্বীকার করেন তিনি। তাই রাকিবকে শতভাগ নম্বর দিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। জাতীয় দলের জার্সিতে ভারতের বিপক্ষে করা গোলটিকেই নিজের সেরা গোল হিসেবে মানেন মোরছালিন, আর ভারতের বিরুদ্ধে পাওয়া জয়টাকেই সবচেয়ে মূল্যবান। ম্যাচশেষে ড্রেসিংরুম থেকে হোটেল পর্যন্ত পুরো দলই দারুণভাবে উদ্‌যাপন করেছে এই সাফল্য—কষ্টের পর পাওয়া জয় বলে সবারই আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো।

হামজা–শমিতদের আগমনে ফুটবলে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। দর্শকরা মাঠে আসছেন, খেলোয়াড়দের মধ্যেও বেড়েছে পরিশ্রম ও প্রতিযোগিতার ইতিবাচক মানসিকতা। মোরছালিনের মতে, এমন মানসম্পন্ন খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেললে নিজেরও উন্নতি হয়; দল এখন বলের দখল ধরে রাখতে পারছে, নিয়মিত গোলও হচ্ছে, আর শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়ার মানসিকতাও বেড়েছে। দলের ভেতরে কোনো নেতিবাচক প্রতিযোগিতা নেই বলেও জানান তিনি।

হামজাকে তিনি দলের মেসির সঙ্গে তুলনা করেছেন, যিনি প্রয়োজনের সময় আলো ছড়ান। সামনে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে মোরছালিন আশাবাদী। তার বিশ্বাস, দল ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধেও ইতিবাচক ফল আসবে।