০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি জয় দিয়ে শুরু বাংলার বাঘিনিদের বাছাইপর্বের লড়াই ‘যথেষ্ট সংস্কার হলেও পুলিশ সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি’: আসিফ নজরুল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ স্থায়ী আসন পেতে দিতে হবে ১ বিলিয়ন ডলার। প্রস্তুতি না থাকায় ইরান হামলা থেকে ট্রাম্পকে থামালো ইসরায়েল। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিলো জার্মানি সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারে মা ও শিশুর পোড়া মরদেহ উদ্ধার ​নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ওবায়দুল কাদের ও সাদ্দামসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আজ অভিযোগ গঠনের শুনানি

বৈশ্বিক ড্রোন বিক্রি বাড়াতে ১৯৮৭ সালের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করছে যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 124

ছবি: সংগৃহীত

 

ট্রাম্প প্রশাসন ১৯৮৭ সালের Missile Technology Control Regime (MTCR)–এর নতুন ব্যাখ্যা দিতে যাচ্ছে।

এর ফলে উন্নত সামরিক ড্রোন যেমন MQ-9 Reaper–কে আর “মিসাইল” নয়, বরং “বিমান” হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে MTCR–এর সীমাবদ্ধতা এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোতে ভারী আক্রমণাত্মক ড্রোন বিক্রি করতে পারবে।

এই পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি বাড়াবে এবং প্রতিযোগিতায় থাকা চীন, ইসরায়েল ও তুরস্কের মতো দেশগুলোর মোকাবেলায় সহায়তা করবে।

এরই মধ্যে প্রায় ১৪২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি সম্ভাব্য অস্ত্র চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে কেবল সৌদি আরবের জন্যই ১০০টির বেশি MQ-9 ড্রোন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

বৈশ্বিক ড্রোন বিক্রি বাড়াতে ১৯৮৭ সালের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০২:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

ট্রাম্প প্রশাসন ১৯৮৭ সালের Missile Technology Control Regime (MTCR)–এর নতুন ব্যাখ্যা দিতে যাচ্ছে।

এর ফলে উন্নত সামরিক ড্রোন যেমন MQ-9 Reaper–কে আর “মিসাইল” নয়, বরং “বিমান” হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে MTCR–এর সীমাবদ্ধতা এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোতে ভারী আক্রমণাত্মক ড্রোন বিক্রি করতে পারবে।

এই পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি বাড়াবে এবং প্রতিযোগিতায় থাকা চীন, ইসরায়েল ও তুরস্কের মতো দেশগুলোর মোকাবেলায় সহায়তা করবে।

এরই মধ্যে প্রায় ১৪২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি সম্ভাব্য অস্ত্র চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে কেবল সৌদি আরবের জন্যই ১০০টির বেশি MQ-9 ড্রোন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।