ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার- রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত, অর্থনীতিতে স্বস্তি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 189

ছবিধ: সংগৃহীত

 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার বা দুই হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি মাসের ৬ তারিখ পর্যন্ত দেশের মোট গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ২৬.৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী এই রিজার্ভের প্রকৃত পরিমাণ ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার। এর আগে, ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬.১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ছিল ২০.৯০ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন  রেমিট্যান্সে চমক: এপ্রিলের ২১ দিনে দেশে এলো ১৯৬ কোটি ডলার

দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহও ইতিবাচক ধারা বজায় রেখেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৫৩ বিলিয়ন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৩০ হাজার ৮২৯ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং রিজার্ভ বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিজার্ভের এই অগ্রগতি দেশের আমদানি ব্যয় মেটাতে সহায়ক হবে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা আনবে। উল্লেখ্য, রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে রেমিট্যান্স প্রবাহের পাশাপাশি রফতানি আয়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার কৌশলও রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।

দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবং রিজার্ভের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করছে। বিশেষ করে রেমিট্যান্স আহরণের ক্ষেত্রে হুন্ডির পরিবর্তে ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর জন্য প্রণোদনা দেওয়ার মতো উদ্যোগগুলোর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে রিজার্ভের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হলে রেমিট্যান্স এবং রফতানিকে আরও উৎসাহিত করতে হবে, পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার- রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত, অর্থনীতিতে স্বস্তি

আপডেট সময় ০৫:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার বা দুই হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি মাসের ৬ তারিখ পর্যন্ত দেশের মোট গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ২৬.৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী এই রিজার্ভের প্রকৃত পরিমাণ ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার। এর আগে, ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬.১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ছিল ২০.৯০ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন  ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি, দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান

দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহও ইতিবাচক ধারা বজায় রেখেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৫৩ বিলিয়ন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৩০ হাজার ৮২৯ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং রিজার্ভ বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিজার্ভের এই অগ্রগতি দেশের আমদানি ব্যয় মেটাতে সহায়ক হবে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা আনবে। উল্লেখ্য, রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে রেমিট্যান্স প্রবাহের পাশাপাশি রফতানি আয়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার কৌশলও রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।

দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবং রিজার্ভের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করছে। বিশেষ করে রেমিট্যান্স আহরণের ক্ষেত্রে হুন্ডির পরিবর্তে ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর জন্য প্রণোদনা দেওয়ার মতো উদ্যোগগুলোর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে রিজার্ভের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হলে রেমিট্যান্স এবং রফতানিকে আরও উৎসাহিত করতে হবে, পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে।