০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জট, বহির্নোঙরে ১৭ জাহাজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 95

ছবি সংগৃহীত

 

কাস্টমস কর্মকর্তাদের টানা ১১ দিনের কর্মবিরতির প্রভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে সৃষ্টি হওয়া কনটেইনার জট ও জাহাজ জটিলতা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত বন্দরের অভ্যন্তরে ৪৩,৮২৭টি টিইইউ কনটেইনার জমে আছে, যার মধ্যে ৫,৭৪৭টি খালি কনটেইনার। আর বহির্নোঙরে ১৭টি জাহাজে রয়েছে ২২,৬২৬টি টিইইউ কনটেইনার, খালাসের অপেক্ষায়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে অধ্যাদেশ জারির প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত কাস্টমস কর্মকর্তারা কর্মবিরতি পালন করেন। এতে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, ফলে আমদানি পণ্যের খালাস থেমে যায় এবং বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ তৈরি হয়।

[bsa_pro_ad_space id=2]

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৭,০০০-এর বেশি বিল অব এন্ট্রি ও বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল হলেও কর্মবিরতির সময় এসব কার্যক্রমে চরম ব্যাঘাত ঘটে। এতে আমদানি ও রপ্তানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

রোববার রাতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে আলোচনার পর কর্মবিরতি স্থগিতের ঘোষণা আসে। সোমবার সকাল থেকে কাস্টমস কর্মকর্তারা পুরোদমে কাজে ফিরেছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক এএসএম রেজাউল করিম স্বপন বলেন, “শুল্কায়ন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বন্দরের কাজ এখন গতি পাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, ঈদের আগেই কনটেইনার জট অনেকাংশে কমে আসবে।”

হালনাগাদ কার্যক্রমের পরিসংখ্যান (সোমবার দুপুর পর্যন্ত):
বন্দরের অভ্যন্তরে কনটেইনার: ৪৩,৮২৭ টিইইউ

বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ জাহাজ: ১৭টি, বহির্নোঙরে কনটেইনার: ২২,৬২৬ টিইইউ, জাহাজ হ্যান্ডলিং হয়েছে: ৯০১৬ টিইইউ কনটেইনার, নতুন নামা কনটেইনার: ৪৫২৫ টিইইউ, রপ্তানি কনটেইনার উঠানো: ৪৪৯১ টিইইউ, আমদানিপণ্য ডেলিভারি: ১৩৪০ টিইইউ।

বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, “চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার ধারণক্ষমতা ৫৩ হাজারের বেশি। এখন আমাদের কাছে সাড়ে ৪৩ হাজার রয়েছে। বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম স্বাভাবিক চলছে। কাস্টমস কর্মবিরতির প্রভাব অনেকাংশে কাটতে শুরু করেছে। ঈদের আগেই আমরা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারব।”

শুল্ক কার্যক্রম পুনরায় সচল হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে, তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে কিছুটা। আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রাখতে এখন দরকার সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থায়ী সমাধান।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জট, বহির্নোঙরে ১৭ জাহাজ

আপডেট সময় ০৮:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

কাস্টমস কর্মকর্তাদের টানা ১১ দিনের কর্মবিরতির প্রভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে সৃষ্টি হওয়া কনটেইনার জট ও জাহাজ জটিলতা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত বন্দরের অভ্যন্তরে ৪৩,৮২৭টি টিইইউ কনটেইনার জমে আছে, যার মধ্যে ৫,৭৪৭টি খালি কনটেইনার। আর বহির্নোঙরে ১৭টি জাহাজে রয়েছে ২২,৬২৬টি টিইইউ কনটেইনার, খালাসের অপেক্ষায়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে অধ্যাদেশ জারির প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত কাস্টমস কর্মকর্তারা কর্মবিরতি পালন করেন। এতে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, ফলে আমদানি পণ্যের খালাস থেমে যায় এবং বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ তৈরি হয়।

[bsa_pro_ad_space id=2]

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৭,০০০-এর বেশি বিল অব এন্ট্রি ও বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল হলেও কর্মবিরতির সময় এসব কার্যক্রমে চরম ব্যাঘাত ঘটে। এতে আমদানি ও রপ্তানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

রোববার রাতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে আলোচনার পর কর্মবিরতি স্থগিতের ঘোষণা আসে। সোমবার সকাল থেকে কাস্টমস কর্মকর্তারা পুরোদমে কাজে ফিরেছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস বিষয়ক সম্পাদক এএসএম রেজাউল করিম স্বপন বলেন, “শুল্কায়ন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বন্দরের কাজ এখন গতি পাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, ঈদের আগেই কনটেইনার জট অনেকাংশে কমে আসবে।”

হালনাগাদ কার্যক্রমের পরিসংখ্যান (সোমবার দুপুর পর্যন্ত):
বন্দরের অভ্যন্তরে কনটেইনার: ৪৩,৮২৭ টিইইউ

বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ জাহাজ: ১৭টি, বহির্নোঙরে কনটেইনার: ২২,৬২৬ টিইইউ, জাহাজ হ্যান্ডলিং হয়েছে: ৯০১৬ টিইইউ কনটেইনার, নতুন নামা কনটেইনার: ৪৫২৫ টিইইউ, রপ্তানি কনটেইনার উঠানো: ৪৪৯১ টিইইউ, আমদানিপণ্য ডেলিভারি: ১৩৪০ টিইইউ।

বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, “চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার ধারণক্ষমতা ৫৩ হাজারের বেশি। এখন আমাদের কাছে সাড়ে ৪৩ হাজার রয়েছে। বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম স্বাভাবিক চলছে। কাস্টমস কর্মবিরতির প্রভাব অনেকাংশে কাটতে শুরু করেছে। ঈদের আগেই আমরা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারব।”

শুল্ক কার্যক্রম পুনরায় সচল হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে, তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে কিছুটা। আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রাখতে এখন দরকার সমন্বিত উদ্যোগ ও স্থায়ী সমাধান।