১২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :

ভবদহ অঞ্চলে জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত কৃষি, এবছর বোরো চাষ অনিশ্চিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 149

ভবদহ অঞ্চলে জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত কৃষি, এবছর বোরো চাষ অনিশ্চিত

 

যশোরের ভবদহ অঞ্চলের কৃষকরা এবার বোরো ধান চাষ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। নদী ও খালগুলোয় পলি জমে নাব্যতা হারানোর কারণে পানি নিষ্কাশন প্রক্রিয়া প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফলে বিলগুলোতে জমে থাকা পানি এখনও সরানো সম্ভব হয়নি, যা কৃষিকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি সরানোর চেষ্টা করলেও প্রায় ১১ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি থেকে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ভবদহ অঞ্চলে যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার অংশবিশেষ অন্তর্ভুক্ত। এখানে অন্তত ৫২টি বিল রয়েছে, যা বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এই অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার কৃষক বোরো ধানের ওপর নির্ভরশীল। গত বছর পর্যন্ত ২৪ হাজার ৯০৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হতো। তবে চলমান জলাবদ্ধতার কারণে এবার প্রায় অর্ধেক জমি চাষের বাইরে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, পানি নিষ্কাশনের জন্য নদী ও খালে ড্রেজিং এবং পাইলট চ্যানেল কাটার কাজ চলছে। পাশাপাশি সেচযন্ত্র দিয়ে পানি সরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান প্রকল্প দ্রুত শেষ হলে জমির বড় অংশে বোরো চাষ করা সম্ভব হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ভবদহ অঞ্চলে জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত কৃষি, এবছর বোরো চাষ অনিশ্চিত

আপডেট সময় ১১:৫৭:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫

 

যশোরের ভবদহ অঞ্চলের কৃষকরা এবার বোরো ধান চাষ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। নদী ও খালগুলোয় পলি জমে নাব্যতা হারানোর কারণে পানি নিষ্কাশন প্রক্রিয়া প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফলে বিলগুলোতে জমে থাকা পানি এখনও সরানো সম্ভব হয়নি, যা কৃষিকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি সরানোর চেষ্টা করলেও প্রায় ১১ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি থেকে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ভবদহ অঞ্চলে যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার অংশবিশেষ অন্তর্ভুক্ত। এখানে অন্তত ৫২টি বিল রয়েছে, যা বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এই অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার কৃষক বোরো ধানের ওপর নির্ভরশীল। গত বছর পর্যন্ত ২৪ হাজার ৯০৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হতো। তবে চলমান জলাবদ্ধতার কারণে এবার প্রায় অর্ধেক জমি চাষের বাইরে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, পানি নিষ্কাশনের জন্য নদী ও খালে ড্রেজিং এবং পাইলট চ্যানেল কাটার কাজ চলছে। পাশাপাশি সেচযন্ত্র দিয়ে পানি সরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান প্রকল্প দ্রুত শেষ হলে জমির বড় অংশে বোরো চাষ করা সম্ভব হবে।