ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক: ট্রাম্পের ঘোষণা ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 306

ছবি: সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সব ধরনের গাড়ির উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ২ এপ্রিল থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এ ঘোষণা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

হোয়াইট হাউজ থেকে বুধবার দেওয়া ঘোষণায় ট্রাম্প বলেন, “এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি শিল্পে অসাধারণ প্রবৃদ্ধি আনবে এবং দেশে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে নতুন গতি সঞ্চার করবে।”

আরও পড়ুন  মার্কিন গাড়ি শিল্পে স্বস্তি আনতে শুল্ক হ্রাসের পথে ট্রাম্প প্রশাসন

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতির শিকার। দেশটির অর্থনীতি আরও স্বনির্ভর করতে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনারই অংশ হিসেবে গাড়ি আমদানিতে এ শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু আমেরিকার বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক গাড়ি শিল্পেও বড় ধাক্কা দিতে পারে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ির প্রধান বিদেশি সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, কানাডা ও জার্মানি। ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এই দেশগুলোর গাড়ি রপ্তানিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। গাড়ি নির্মাতারা ইতোমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই চাপ ফেলবে।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতেই ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে আমদানিকৃত গাড়ির উপর শুল্ক আরোপের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেই ভাবনাকেই বাস্তব রূপ দিতে চলেছেন তিনি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী বছর ঘিরে ট্রাম্পের এ ধরনের বাণিজ্যিক পদক্ষেপ আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব ফেললেও, বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য তা হতে পারে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক: ট্রাম্পের ঘোষণা ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ

আপডেট সময় ০৫:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সব ধরনের গাড়ির উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ২ এপ্রিল থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এ ঘোষণা ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

হোয়াইট হাউজ থেকে বুধবার দেওয়া ঘোষণায় ট্রাম্প বলেন, “এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি শিল্পে অসাধারণ প্রবৃদ্ধি আনবে এবং দেশে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে নতুন গতি সঞ্চার করবে।”

আরও পড়ুন  চারগুণ মাশুল আদায়ে অনড় চট্টগ্রাম বন্দর, বিপাকে আমদানি-রফতানি খাত

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতির শিকার। দেশটির অর্থনীতি আরও স্বনির্ভর করতে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনারই অংশ হিসেবে গাড়ি আমদানিতে এ শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু আমেরিকার বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক গাড়ি শিল্পেও বড় ধাক্কা দিতে পারে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ির প্রধান বিদেশি সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, কানাডা ও জার্মানি। ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এই দেশগুলোর গাড়ি রপ্তানিতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। গাড়ি নির্মাতারা ইতোমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই চাপ ফেলবে।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতেই ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে আমদানিকৃত গাড়ির উপর শুল্ক আরোপের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেই ভাবনাকেই বাস্তব রূপ দিতে চলেছেন তিনি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী বছর ঘিরে ট্রাম্পের এ ধরনের বাণিজ্যিক পদক্ষেপ আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব ফেললেও, বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য তা হতে পারে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।