০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

শান্তির আশায় সৌদিতে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিমুখী কূটনীতি: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির পথে?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 76

ছবি সংগৃহীত

 

সৌদি আরবের মাটিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে আলাদা আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র, যার লক্ষ্য ইউক্রেন যুদ্ধের সহিংসতা কমিয়ে আনা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি তৈরি করা। রবিবার ইউক্রেনের সঙ্গে প্রথম দফার বৈঠক শেষে আজ সোমবার রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখোমুখি হবেন মার্কিন কূটনীতিকরা।

ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকা দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ জানান, রবিবার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শুরু হয়ে আলোচনা পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকটি ‘ফলপ্রসূ ও কার্যকর’ হয়েছে বলে উল্লেখ করে উমেরভ বলেন, “আমরা জ্বালানিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গভীরভাবে আলোচনা করেছি।”

বিজ্ঞাপন

আলোচনায় কৃষ্ণসাগরের নৌপথ এবং বন্দর ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। জানা গেছে, রাশিয়া এমন একটি চুক্তির পুনর্জাগরণে আগ্রহী, যা ইউক্রেনকে সরাসরি হামলা ছাড়াই তার বন্দর থেকে নিরাপদে শস্য রপ্তানি করতে দেবে। এই উদ্যোগ কৃষিপণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক দূত এবং ইউক্রেন সংকট নিয়ে নিযুক্ত বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য একটি ৩০ দিনের পূর্ণ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা, যা পরবর্তী সময়ে স্থায়ী শান্তিচুক্তির জন্য দরজা খুলে দিতে পারে।

আগের আলোচনা পর্বগুলোর মতো এবারও সব পক্ষের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। তবে এই দফায় টেকনিক্যাল এবং কৌশলগত বিষয়গুলোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যেখানে মূলত অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও সরকারি উপদেষ্টারা যুক্ত রয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদিতে এই ত্রিমুখী আলোচনার ফলাফল ইউক্রেন যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিতে পারে। যুদ্ধের ক্লান্তি ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে এই নতুন প্রচেষ্টা কি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির সূচনা ঘটাতে পারবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

শান্তির আশায় সৌদিতে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিমুখী কূটনীতি: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির পথে?

আপডেট সময় ০৬:০১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

সৌদি আরবের মাটিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে আলাদা আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র, যার লক্ষ্য ইউক্রেন যুদ্ধের সহিংসতা কমিয়ে আনা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি তৈরি করা। রবিবার ইউক্রেনের সঙ্গে প্রথম দফার বৈঠক শেষে আজ সোমবার রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখোমুখি হবেন মার্কিন কূটনীতিকরা।

ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকা দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তেম উমেরভ জানান, রবিবার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শুরু হয়ে আলোচনা পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকটি ‘ফলপ্রসূ ও কার্যকর’ হয়েছে বলে উল্লেখ করে উমেরভ বলেন, “আমরা জ্বালানিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গভীরভাবে আলোচনা করেছি।”

বিজ্ঞাপন

আলোচনায় কৃষ্ণসাগরের নৌপথ এবং বন্দর ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। জানা গেছে, রাশিয়া এমন একটি চুক্তির পুনর্জাগরণে আগ্রহী, যা ইউক্রেনকে সরাসরি হামলা ছাড়াই তার বন্দর থেকে নিরাপদে শস্য রপ্তানি করতে দেবে। এই উদ্যোগ কৃষিপণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক দূত এবং ইউক্রেন সংকট নিয়ে নিযুক্ত বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য একটি ৩০ দিনের পূর্ণ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা, যা পরবর্তী সময়ে স্থায়ী শান্তিচুক্তির জন্য দরজা খুলে দিতে পারে।

আগের আলোচনা পর্বগুলোর মতো এবারও সব পক্ষের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। তবে এই দফায় টেকনিক্যাল এবং কৌশলগত বিষয়গুলোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যেখানে মূলত অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও সরকারি উপদেষ্টারা যুক্ত রয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদিতে এই ত্রিমুখী আলোচনার ফলাফল ইউক্রেন যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিতে পারে। যুদ্ধের ক্লান্তি ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে এই নতুন প্রচেষ্টা কি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির সূচনা ঘটাতে পারবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।