ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

রোজা অবস্থায় যদি কয়েল বা আগরবাতির ধোঁয়া নাকে যায়, তবে কি রোজা ভঙ্গ হবে?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 593

ছবি: সংগৃহীত

 

রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মহান প্রশিক্ষণ। প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের জন্য এ মাসে রোজা পালন করা ফরজ। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, যেন তোমরা পরহেজগারি অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)

রমজানের অন্যতম মূল শিক্ষা হলো আত্মনিয়ন্ত্রণ ও আল্লাহভীতি অর্জন। দিনভর রোজা রাখার শক্তি যোগায় সেহরি, আর ইফতারের মাধ্যমে তা পূর্ণতা লাভ করে। তবে রোজা পালনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলা জরুরি। কারণ, অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ে যেতে পারে। তাই প্রত্যেক মুসলিমের রোজা সংক্রান্ত বিধিবিধান সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন  নতুন সরকারের পর রোজার পণ্য আমদানিতে সক্রিয় ৩১৭ প্রতিষ্ঠান, বেড়েছে আমদানিও

পবিত্র কুরআনে আরও বলা হয়েছে, ‘রমজান মাস, যার মধ্যে কুরআন নাজিল করা হয়েছে লোকদের পথপ্রদর্শক এবং হেদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসে রোজা রাখে, আর যে পীড়িত কিংবা সফরে আছে, সে অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করবে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৫)

রোজা ভঙ্গের বিষয়ে অনেকের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকে। তার মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো, রোজা রেখে আগরবাতি বা কয়েলের ধোঁয়া নাকে গেলে রোজা ভঙ্গ হবে কি না?

ইসলামি শিক্ষায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে আগরবাতি বা কয়েলের ধোঁয়া নাকে বা গলার ভেতরে প্রবেশ করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ধোঁয়া নাকে টেনে নেয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। তাই সচেতনতার জন্য রোজার দিনে আগরবাতি বা কয়েল ব্যবহার না করাই উত্তম।

রমজান আত্মশুদ্ধির মাস, শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকা নয়, বরং আত্মসংযম, চরিত্র গঠন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক অনন্য সুযোগ। তাই রোজার গুরুত্ব ও বিধান সম্পর্কে সচেতন থেকে সঠিকভাবে তা পালন করাই উচিত। (সূত্র: কিতাবুল আসল: ২/১৭২; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১/২০৮; মাজমাউল আনহুর: ১/৩৬১)

নিউজটি শেয়ার করুন

রোজা অবস্থায় যদি কয়েল বা আগরবাতির ধোঁয়া নাকে যায়, তবে কি রোজা ভঙ্গ হবে?

আপডেট সময় ০৭:০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মহান প্রশিক্ষণ। প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের জন্য এ মাসে রোজা পালন করা ফরজ। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, যেন তোমরা পরহেজগারি অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)

রমজানের অন্যতম মূল শিক্ষা হলো আত্মনিয়ন্ত্রণ ও আল্লাহভীতি অর্জন। দিনভর রোজা রাখার শক্তি যোগায় সেহরি, আর ইফতারের মাধ্যমে তা পূর্ণতা লাভ করে। তবে রোজা পালনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলা জরুরি। কারণ, অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ে যেতে পারে। তাই প্রত্যেক মুসলিমের রোজা সংক্রান্ত বিধিবিধান সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন  সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন ডা. জুবাইদা রহমান

পবিত্র কুরআনে আরও বলা হয়েছে, ‘রমজান মাস, যার মধ্যে কুরআন নাজিল করা হয়েছে লোকদের পথপ্রদর্শক এবং হেদায়াতের সুস্পষ্ট বর্ণনারূপে এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসে রোজা রাখে, আর যে পীড়িত কিংবা সফরে আছে, সে অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করবে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৫)

রোজা ভঙ্গের বিষয়ে অনেকের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকে। তার মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো, রোজা রেখে আগরবাতি বা কয়েলের ধোঁয়া নাকে গেলে রোজা ভঙ্গ হবে কি না?

ইসলামি শিক্ষায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে আগরবাতি বা কয়েলের ধোঁয়া নাকে বা গলার ভেতরে প্রবেশ করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ধোঁয়া নাকে টেনে নেয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। তাই সচেতনতার জন্য রোজার দিনে আগরবাতি বা কয়েল ব্যবহার না করাই উত্তম।

রমজান আত্মশুদ্ধির মাস, শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকা নয়, বরং আত্মসংযম, চরিত্র গঠন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক অনন্য সুযোগ। তাই রোজার গুরুত্ব ও বিধান সম্পর্কে সচেতন থেকে সঠিকভাবে তা পালন করাই উচিত। (সূত্র: কিতাবুল আসল: ২/১৭২; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১/২০৮; মাজমাউল আনহুর: ১/৩৬১)