ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানিতে বড় সাফল্য, নতুন বাজারেও প্রবৃদ্ধির ধারা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 386

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি নতুন গতি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং নতুন বাজারগুলোতে রপ্তানি বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৮৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ইইউ ছিল বাংলাদেশি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার। এই অঞ্চলে রপ্তানি হয়েছে ৯৮৭ কোটি ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ২২ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড ও ডেনমার্কে প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ শতাংশের বেশি।

আরও পড়ুন  ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’; প্রান্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়ে হয়েছে ৩৮৪ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপের ফলে ক্রেতারা নতুন উৎসের দিকে ঝুঁকছে, যার ফলে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প লাভবান হচ্ছে।

নতুন বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে নতুন বাজারে রপ্তানি হয়েছে ৩৩৭ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে জাপানে ৬০ কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ৪৩ কোটি, ভারতে ৩৭ কোটি ও কোরিয়ায় ২৩ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

তবে উদ্যোক্তারা চ্যালেঞ্জের কথাও বলছেন। বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, রপ্তানি বাড়লেও ক্রয়াদেশের দরপতন, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও ব্যাংকিং সমস্যার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান চাপে রয়েছে। বিদেশি ক্রেতারা কম দামে পোশাক কিনতে চাইছে, যা শিল্পের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা গেলে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানিতে বড় সাফল্য, নতুন বাজারেও প্রবৃদ্ধির ধারা

আপডেট সময় ১০:২৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি নতুন গতি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং নতুন বাজারগুলোতে রপ্তানি বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৮৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ইইউ ছিল বাংলাদেশি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার। এই অঞ্চলে রপ্তানি হয়েছে ৯৮৭ কোটি ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ২২ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড ও ডেনমার্কে প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ শতাংশের বেশি।

আরও পড়ুন  রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন উচ্চতা: ফেব্রুয়ারিতে এলো ২.৫৩ বিলিয়ন ডলার

একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়ে হয়েছে ৩৮৪ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপের ফলে ক্রেতারা নতুন উৎসের দিকে ঝুঁকছে, যার ফলে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প লাভবান হচ্ছে।

নতুন বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে নতুন বাজারে রপ্তানি হয়েছে ৩৩৭ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে জাপানে ৬০ কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ৪৩ কোটি, ভারতে ৩৭ কোটি ও কোরিয়ায় ২৩ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

তবে উদ্যোক্তারা চ্যালেঞ্জের কথাও বলছেন। বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, রপ্তানি বাড়লেও ক্রয়াদেশের দরপতন, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও ব্যাংকিং সমস্যার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান চাপে রয়েছে। বিদেশি ক্রেতারা কম দামে পোশাক কিনতে চাইছে, যা শিল্পের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা গেলে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে।