ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা, চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক দুই হাজার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 58

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা কর্মসূচি ঘিরে শনিবার পুলিশের অভিযানে অন্তত দুই হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আটক সাবেক মুখ্যমন্ত্রীরা হলেন আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বামপন্থী নেতা পিনরাই বিজয়ন ও মানিক সরকার। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়।

অনুমতি ছাড়া জমায়েতের অভিযোগে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালায়। দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভকারীদের ধরে ভ্যানে তোলা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরের ৪৫টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথ বন্ধ রাখা হয়। পাশাপাশি আড়াইশর বেশি ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন  দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক ‘ইন্ডিয়া’ জোটের

বিক্ষোভের সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দাবি করেছে, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। দলটির নেতা রবিশংকর প্রসাদ বলেন, ভারত কোনো ‘কলা প্রজাতন্ত্র’ নয়। দেশ রাস্তাঘাটের পরিবর্তে সংসদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া এই ঘটনাকে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে সোমবার প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে জোটটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা, চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক দুই হাজার

আপডেট সময় ১০:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা কর্মসূচি ঘিরে শনিবার পুলিশের অভিযানে অন্তত দুই হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আটক সাবেক মুখ্যমন্ত্রীরা হলেন আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বামপন্থী নেতা পিনরাই বিজয়ন ও মানিক সরকার। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকসহ কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়।

অনুমতি ছাড়া জমায়েতের অভিযোগে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালায়। দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভকারীদের ধরে ভ্যানে তোলা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শহরের ৪৫টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথ বন্ধ রাখা হয়। পাশাপাশি আড়াইশর বেশি ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ

বিক্ষোভের সমালোচনা করে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দাবি করেছে, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। দলটির নেতা রবিশংকর প্রসাদ বলেন, ভারত কোনো ‘কলা প্রজাতন্ত্র’ নয়। দেশ রাস্তাঘাটের পরিবর্তে সংসদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া এই ঘটনাকে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে সোমবার প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে জোটটি।