ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

রিয়া হত্যা মামলার আসামির বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, দগ্ধ আরও দুজনের মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / 104

ছবি সংগৃহীত

 

রিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে পাবনা সদর উপজেলায় আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মারা যান। এর আগে সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: দগ্ধ ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

নিহতরা হলেন সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পাশের নতুনপাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার ইউসুফের ছেলে সাপু।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ভাড়ারা এলাকায় পদ্মা নদী থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার একপর্যায়ে বাড়িতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আশপাশে থাকা কয়েকজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় অভিযুক্ত পক্ষের কোনো সদস্য বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। দগ্ধ ব্যক্তিরা মূলত প্রতিবেশী ও ঘটনাস্থলে জড়ো হওয়া উৎসুক জনতা ছিলেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার একজন এবং মঙ্গলবার আরও দুজন মারা যান। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, রিয়া খাতুন (১৫) নামে এক কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধারের ঘটনায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তার কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা তারা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রিয়া হত্যা মামলার আসামির বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, দগ্ধ আরও দুজনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০২:৫৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

 

রিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে পাবনা সদর উপজেলায় আসামিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মারা যান। এর আগে সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন  চুয়াডাঙ্গায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ফার্নিচার কারখানাসহ বহু দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি

নিহতরা হলেন সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পাশের নতুনপাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার ইউসুফের ছেলে সাপু।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ভাড়ারা এলাকায় পদ্মা নদী থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার একপর্যায়ে বাড়িতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আশপাশে থাকা কয়েকজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় অভিযুক্ত পক্ষের কোনো সদস্য বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। দগ্ধ ব্যক্তিরা মূলত প্রতিবেশী ও ঘটনাস্থলে জড়ো হওয়া উৎসুক জনতা ছিলেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার একজন এবং মঙ্গলবার আরও দুজন মারা যান। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, রিয়া খাতুন (১৫) নামে এক কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধারের ঘটনায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তার কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা তারা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।