ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • / 98

ছবি সংগৃহীত

 

চলতি চাঁদপুর সফরের পথে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “সবাই কুমিল্লা বিভাগ চায়। জনগণের এই দাবি যদি বাস্তবসম্মত ও জোরালো হয়, তবে অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করা হবে।”

আজ শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া এবং এর আগে লাকসামের মুদাফফরগঞ্জে দুটি পৃথক পথসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ নানামুখী প্রতিশ্রুতি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়ে মালয়েশিয়ায় বিএনপির কর্মশালা

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, “বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে দেশের ১২ লাখ প্রান্তিক কৃষকের ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের কৃষিঋণ সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে। নির্বাচনের আগে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা অল্প অল্প করে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।” কুমিল্লার স্থানীয় মানুষের পক্ষ থেকে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবির জবাবে তিনি বলেন, “কুমিল্লার অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। তাই এখানে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কীভাবে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা যায়, তা নিয়ে আমি শিগগিরই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসব।”

দেশের বর্তমান নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, “গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী শাসনে দেশকে অনেক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে বর্তমান অর্থনীতি কিছুটা চাপের মধ্যে আছে। ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, তা বজায় রেখে এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়। তবে সব দাবি ধাপে ধাপে পূরণ করা হবে, এজন্য জনগণকে কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে।”

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ চাঁদপুরের দুটি খাল পুনঃখনন এবং দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা দেশের ইমাম ও ধর্মীয় গুরুদের সম্মানিত করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তার কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৫০ লাখ মা-বোনকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে এবং বাজেটেও এর জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।” দেশ গঠনে সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আল্লাহ পরিশ্রমীদের পছন্দ করেন।”

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে এই পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ এবং কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম ভূঁইয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

 

চলতি চাঁদপুর সফরের পথে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “সবাই কুমিল্লা বিভাগ চায়। জনগণের এই দাবি যদি বাস্তবসম্মত ও জোরালো হয়, তবে অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করা হবে।”

আজ শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া এবং এর আগে লাকসামের মুদাফফরগঞ্জে দুটি পৃথক পথসভায় বক্তব্য রাখার সময় তিনি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ নানামুখী প্রতিশ্রুতি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা যুক্তরাষ্ট্রের

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, “বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে দেশের ১২ লাখ প্রান্তিক কৃষকের ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের কৃষিঋণ সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে। নির্বাচনের আগে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা অল্প অল্প করে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।” কুমিল্লার স্থানীয় মানুষের পক্ষ থেকে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবির জবাবে তিনি বলেন, “কুমিল্লার অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। তাই এখানে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কীভাবে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা যায়, তা নিয়ে আমি শিগগিরই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসব।”

দেশের বর্তমান নাজুক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, “গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী শাসনে দেশকে অনেক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে বর্তমান অর্থনীতি কিছুটা চাপের মধ্যে আছে। ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, তা বজায় রেখে এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়। তবে সব দাবি ধাপে ধাপে পূরণ করা হবে, এজন্য জনগণকে কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে।”

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ চাঁদপুরের দুটি খাল পুনঃখনন এবং দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা দেশের ইমাম ও ধর্মীয় গুরুদের সম্মানিত করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তার কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৫০ লাখ মা-বোনকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে এবং বাজেটেও এর জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।” দেশ গঠনে সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আল্লাহ পরিশ্রমীদের পছন্দ করেন।”

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে এই পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ এবং কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম ভূঁইয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।