ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে পিডিবির সুখবর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / 128

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন থাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে সারা দেশে কোনো লোডশেডিং হয়নি। গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে চাহিদার সমপরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসায় এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানান, বর্তমানে ছোট কেন্দ্রগুলোর প্রযুক্তিগত সমস্যা কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর আরএনপিএল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসায় সরবরাহে বড় ঘাটতি পূরণ হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বর্তমানে কয়লা ও এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন  যে সব এলাকায় আজ ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-র তথ্য অনুযায়ী, ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ১২ হাজার ৭৯৩ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। মে মাসের শুরুতেও একই ধারা অব্যাহত রয়েছে; ১, ২ ও ৩ মে যথাক্রমে ১০ হাজার ৪৬২, ১১ হাজার ৯২ এবং ১২ হাজার ৭৪৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে কোনো লোডশেডিং করতে হয়নি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির কারণে কৃষিকাজে সেচ চাহিদা কমে যাওয়াও লোডশেডিং হ্রাসের অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

রাজধানীর গ্রাহকরাও গত এক সপ্তাহ ধরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উপভোগের কথা জানিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালক (কারিগরি) পরিতোষ সূত্রধর জানিয়েছেন, জাতীয়ভাবে লোডশেডিং না থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, লাইন মেরামত বা গাছের ডাল কাটার মতো কারিগরি কারণে স্থানীয়ভাবে সাময়িক বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকতে পারে। এগুলোকে সিস্টেম মেইনটেন্যান্স বা যান্ত্রিক ত্রুটি হিসেবে গণ্য করা হয়, লোডশেডিং হিসেবে নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে পিডিবির সুখবর

আপডেট সময় ০২:৪২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

 

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন থাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে সারা দেশে কোনো লোডশেডিং হয়নি। গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে চাহিদার সমপরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসায় এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানান, বর্তমানে ছোট কেন্দ্রগুলোর প্রযুক্তিগত সমস্যা কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর আরএনপিএল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসায় সরবরাহে বড় ঘাটতি পূরণ হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বর্তমানে কয়লা ও এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন  জাতীয় গ্রিডে আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট: কমতে পারে দেশব্যাপী লোডশেডিং

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-র তথ্য অনুযায়ী, ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ১২ হাজার ৭৯৩ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। মে মাসের শুরুতেও একই ধারা অব্যাহত রয়েছে; ১, ২ ও ৩ মে যথাক্রমে ১০ হাজার ৪৬২, ১১ হাজার ৯২ এবং ১২ হাজার ৭৪৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে কোনো লোডশেডিং করতে হয়নি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির কারণে কৃষিকাজে সেচ চাহিদা কমে যাওয়াও লোডশেডিং হ্রাসের অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

রাজধানীর গ্রাহকরাও গত এক সপ্তাহ ধরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উপভোগের কথা জানিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালক (কারিগরি) পরিতোষ সূত্রধর জানিয়েছেন, জাতীয়ভাবে লোডশেডিং না থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, লাইন মেরামত বা গাছের ডাল কাটার মতো কারিগরি কারণে স্থানীয়ভাবে সাময়িক বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকতে পারে। এগুলোকে সিস্টেম মেইনটেন্যান্স বা যান্ত্রিক ত্রুটি হিসেবে গণ্য করা হয়, লোডশেডিং হিসেবে নয়।