ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

নিখোঁজের তিন দিন পর ৯ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 134

ছবি সংগৃহীত

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার পলি (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (৩ মে) আখাউড়া পৌরসভার দেবগ্রাম এলাকার মাস্টারপাড়া থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত পলি ওই এলাকার অটোরিকশাচালক হেলাল মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

নিহতের বাবা হেলাল মিয়া জানান, গত শুক্রবার বিকাল থেকে তার মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ওইদিন রাত ৯টায় তিনি আখাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। রবিবার সকাল ৯টার দিকে পাশের একটি জমিতে পলির মরদেহ ভেসে ওঠে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজ বাতিল: সূচি থেকে বাদ পড়ল টাইগারদের সফর

হেলাল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “যে জায়গায় লাশ ও জুতা পাওয়া গেছে, সেখানে আমরা ও পুলিশ একাধিকবার খোঁজাখুঁজি করেছি। তখন কিছুই পাওয়া যায়নি। তিন দিন লাশ থাকলে পচন ধরত, কিন্তু তা হয়নি। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমি কয়েকজন মাদকাসক্তকে সন্দেহ করছি এবং আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।”

নিহতের বড় ভাই রাসেল মিয়াও তার বোনের মৃত্যুর জন্য হত্যাকাণ্ডকে দায়ী করেছেন এবং সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে আসছিল। রবিবার সকালে খবর পেয়ে আখাউড়ার দেবগ্রাম এলাকার একটি ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদঘাটনের জন্য মরদেহ ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিখোঁজের তিন দিন পর ৯ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৫:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার পলি (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (৩ মে) আখাউড়া পৌরসভার দেবগ্রাম এলাকার মাস্টারপাড়া থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত পলি ওই এলাকার অটোরিকশাচালক হেলাল মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

নিহতের বাবা হেলাল মিয়া জানান, গত শুক্রবার বিকাল থেকে তার মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ওইদিন রাত ৯টায় তিনি আখাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। রবিবার সকাল ৯টার দিকে পাশের একটি জমিতে পলির মরদেহ ভেসে ওঠে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর দাবি ফ্রিল্যান্সারদের

হেলাল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “যে জায়গায় লাশ ও জুতা পাওয়া গেছে, সেখানে আমরা ও পুলিশ একাধিকবার খোঁজাখুঁজি করেছি। তখন কিছুই পাওয়া যায়নি। তিন দিন লাশ থাকলে পচন ধরত, কিন্তু তা হয়নি। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমি কয়েকজন মাদকাসক্তকে সন্দেহ করছি এবং আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।”

নিহতের বড় ভাই রাসেল মিয়াও তার বোনের মৃত্যুর জন্য হত্যাকাণ্ডকে দায়ী করেছেন এবং সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে আসছিল। রবিবার সকালে খবর পেয়ে আখাউড়ার দেবগ্রাম এলাকার একটি ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদঘাটনের জন্য মরদেহ ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।