ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 231

ছবি: সংগৃহীত

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানান।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে এবং ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় হ্রাস এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সাথে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে দুর্বল ব্যাংকগুলোর তদারকি বৃদ্ধি এবং পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে জোরদার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজস্ব খাতে সংস্কারের অংশ হিসেবে কর ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করা এবং করজাল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  লুটপাট-অর্থপাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে সরকার: জোনায়েদ সাকি

এছাড়া বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করতে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও রফতানি বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তার আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৬:২১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানান।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে এবং ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় হ্রাস এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সাথে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে দুর্বল ব্যাংকগুলোর তদারকি বৃদ্ধি এবং পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে জোরদার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাজস্ব খাতে সংস্কারের অংশ হিসেবে কর ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করা এবং করজাল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  আইএমএফের ঋণে শর্ত মানতে হবে: অর্থমন্ত্রী

এছাড়া বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করতে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও রফতানি বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তার আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী জানান।