ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সুন্দরবনে হরিণ শিকার ঠেকাতে বন বিভাগের জিরো টলারেন্স নীতি 

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 399

ছবি সংগৃহীত

 

সুন্দরবনে চোরা শিকারি চক্রের কার্যক্রম থামছেই না। বিভিন্ন অভিযান ও তৎপরতার পরও হরিণ শিকার রোধ করা যাচ্ছে না। চোরা শিকারিরা গোপনে হরিণের মাংস বিক্রি করছে, যা মাঝে মাঝে বনসংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

হরিণ শিকার ঠেকাতে এবং শিকারিদের ধরতে বন বিভাগ নতুন ১১ দফা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ১৫ জানুয়ারি থেকে বন বিভাগের সব স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির কর্মকর্তারা এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন। বন সংরক্ষক বলেন, “শিকার ঠেকানোর বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে। মৃত হরিণ উদ্ধার নয়, বরং শিকার হওয়ার আগেই তাদের রক্ষা করাই আমাদের সফলতা। আমরা শিকারি, বিক্রেতা ও ক্রেতাদের চিহ্নিত করছি।”

আরও পড়ুন  সুন্দরবনে ট্রলারভর্তি হরিণ ধরার ফাঁদ জব্দ, পালিয়েছে শিকারিরা

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কয়রা এলাকায় ৩০টির বেশি চোরা শিকারি চক্র সক্রিয়। গত এক বছরে কয়রা উপজেলা থেকে ৩৩৪ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। সর্বশেষ গত বুধবার সত্যপীরের খাল এলাকা থেকে ৮০ কেজি মাংস উদ্ধার করা হয়।

সহকারী বন সংরক্ষক শরিফুল ইসলাম এক চিঠিতে জানান, প্রতিটি স্টেশন ও টহল ফাঁড়িতে শিকারিদের হালনাগাদ তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি অভিযানে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুন্দরবনে হরিণ শিকার ঠেকাতে বন বিভাগের জিরো টলারেন্স নীতি 

আপডেট সময় ০২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

 

সুন্দরবনে চোরা শিকারি চক্রের কার্যক্রম থামছেই না। বিভিন্ন অভিযান ও তৎপরতার পরও হরিণ শিকার রোধ করা যাচ্ছে না। চোরা শিকারিরা গোপনে হরিণের মাংস বিক্রি করছে, যা মাঝে মাঝে বনসংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

হরিণ শিকার ঠেকাতে এবং শিকারিদের ধরতে বন বিভাগ নতুন ১১ দফা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ১৫ জানুয়ারি থেকে বন বিভাগের সব স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির কর্মকর্তারা এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন। বন সংরক্ষক বলেন, “শিকার ঠেকানোর বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে। মৃত হরিণ উদ্ধার নয়, বরং শিকার হওয়ার আগেই তাদের রক্ষা করাই আমাদের সফলতা। আমরা শিকারি, বিক্রেতা ও ক্রেতাদের চিহ্নিত করছি।”

আরও পড়ুন  সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, পালালো ডাকাত দল

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কয়রা এলাকায় ৩০টির বেশি চোরা শিকারি চক্র সক্রিয়। গত এক বছরে কয়রা উপজেলা থেকে ৩৩৪ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। সর্বশেষ গত বুধবার সত্যপীরের খাল এলাকা থেকে ৮০ কেজি মাংস উদ্ধার করা হয়।

সহকারী বন সংরক্ষক শরিফুল ইসলাম এক চিঠিতে জানান, প্রতিটি স্টেশন ও টহল ফাঁড়িতে শিকারিদের হালনাগাদ তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি অভিযানে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।