ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

দুধ বিক্রি থেকে আয় কম, লোকসানে খামারিরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 545

ছবি সংগৃহীত

 

পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বিস্তীর্ণ চারণভূমি ও বাথানে উন্নত জাতের প্রায় লক্ষাধিক গরু বিচরণ করছে, যা প্রায় দুই লাখ পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস। বাথান থেকে প্রতিদিন সংগ্রহ করা হচ্ছে দেড় লাখ লিটারেরও বেশি খাঁটি তরল দুধ। তবে, খামারিরা উৎপাদন খরচের চাপে নুইয়ে পড়েছেন।

গোখাদ্যের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় দুধের দাম বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছেন তারা। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বাজার দরের সঙ্গে সমন্বিত দাম না পাওয়ায় অনেকেই খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। অথচ, একসময় এই অঞ্চলে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই লাখ লিটার দুধ উৎপাদিত হতো।

আরও পড়ুন  ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রীর

এদিকে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দৌরাত্ম্যে মিল্কভিটার আওতাধীন প্রায় ৫৫০ একর গোচারণ ভূমি বেহাত হয়েছে। এসব জমিতে এখন চারণভূমির পরিবর্তে বোরো ধানের চাষ হচ্ছে। খাস জমি ও বাথান এলাকা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী-নিমাইচরা বাঁধের একাংশ প্রতিবছর আগাম বন্যায় তলিয়ে যায়। মাত্র আধা কিলোমিটার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করলে গবাদিপশুর জন্য দীর্ঘমেয়াদি চারণভূমি নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে খামারিদের লাখ লাখ টাকা সাশ্রয় হতো। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও চারণভূমি রক্ষার পদক্ষেপ না নিলে এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গোসম্পদ হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুধ বিক্রি থেকে আয় কম, লোকসানে খামারিরা

আপডেট সময় ১২:২১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

 

পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বিস্তীর্ণ চারণভূমি ও বাথানে উন্নত জাতের প্রায় লক্ষাধিক গরু বিচরণ করছে, যা প্রায় দুই লাখ পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস। বাথান থেকে প্রতিদিন সংগ্রহ করা হচ্ছে দেড় লাখ লিটারেরও বেশি খাঁটি তরল দুধ। তবে, খামারিরা উৎপাদন খরচের চাপে নুইয়ে পড়েছেন।

গোখাদ্যের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় দুধের দাম বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছেন তারা। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বাজার দরের সঙ্গে সমন্বিত দাম না পাওয়ায় অনেকেই খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। অথচ, একসময় এই অঞ্চলে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই লাখ লিটার দুধ উৎপাদিত হতো।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি

এদিকে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দৌরাত্ম্যে মিল্কভিটার আওতাধীন প্রায় ৫৫০ একর গোচারণ ভূমি বেহাত হয়েছে। এসব জমিতে এখন চারণভূমির পরিবর্তে বোরো ধানের চাষ হচ্ছে। খাস জমি ও বাথান এলাকা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী-নিমাইচরা বাঁধের একাংশ প্রতিবছর আগাম বন্যায় তলিয়ে যায়। মাত্র আধা কিলোমিটার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করলে গবাদিপশুর জন্য দীর্ঘমেয়াদি চারণভূমি নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে খামারিদের লাখ লাখ টাকা সাশ্রয় হতো। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও চারণভূমি রক্ষার পদক্ষেপ না নিলে এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গোসম্পদ হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।