১২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাদি হত্যার প্রসঙ্গে জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠাবে অন্তর্বর্তী সরকার মুস্তাফিজের জন্য লাহোর কালান্দার্সের ভালোবাসার বার্তা অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলল ভারত বিশ্বকাপ ফাইনালে এখন সর্বোচ্চ রানের মালিক নীল জার্সিধারীরা পঞ্চগড়ে বোদায় নিখোঁজের ৩ দিন পর কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা না হলে কোনো পরিকল্পনাই সফল হবে না: তারেক রহমান হামলার পর যা বললেন ইনকিলাব মঞ্চের জাবের কোস্টা চিকা প্রকৃতির এক লুকানো রত্ন” হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তপ্ত ঢাকা, আহত আন্দোলনকারী ও সাংবাদিক, জাবের গুলিবিদ্ধ ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে সংঘর্ষ, আহত আন্দোলনকারী ও সাংবাদিক বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে যেসব বিষয় থাকছে

দেশে একদিনে করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ১৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০০:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 170

ছবি সংগৃহীত

 

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ জন। মঙ্গলবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৭৬ জনে। আর মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫০৬ জনে।

এর আগের দিন, অর্থাৎ সোমবার (১৬ জুন) করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৫ জন এবং মারা গিয়েছিলেন একজন।

করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত সংক্রমণ পরিস্থিতির তথ্য তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর, ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম একজন রোগীর মৃত্যু হয়।

দেশে সংক্রমণ পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মাঝে মাঝে কিছু এলাকায় হঠাৎ সংক্রমণ বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে সচেতনতা বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানা, হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন হলে মাস্ক পরিধানের আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাস নিয়ে আপাতত আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানালেও, সংক্রমণের হার হঠাৎ বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। এজন্য স্বাস্থ্যসচেতন আচরণ এবং নজরদারি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সর্বশেষ এই তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকলেও তা পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। ফলে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বজায় রাখা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে একদিনে করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ১৮

আপডেট সময় ১০:০০:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ জন। মঙ্গলবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৭৬ জনে। আর মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫০৬ জনে।

এর আগের দিন, অর্থাৎ সোমবার (১৬ জুন) করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৫ জন এবং মারা গিয়েছিলেন একজন।

করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত সংক্রমণ পরিস্থিতির তথ্য তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর, ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম একজন রোগীর মৃত্যু হয়।

দেশে সংক্রমণ পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মাঝে মাঝে কিছু এলাকায় হঠাৎ সংক্রমণ বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে সচেতনতা বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানা, হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন হলে মাস্ক পরিধানের আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাস নিয়ে আপাতত আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানালেও, সংক্রমণের হার হঠাৎ বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। এজন্য স্বাস্থ্যসচেতন আচরণ এবং নজরদারি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সর্বশেষ এই তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকলেও তা পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। ফলে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বজায় রাখা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।