ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে যৌথবাহিনীর অভিযান: মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ২

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 493

ছবি: সংগৃহীত

 

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদক ও ধারালো অস্ত্রসহ গাজীর মেয়ে ও ভাতিজাকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জুন) রাতে নবীগঞ্জের রসুলবাগ এলাকার কুখ্যাত মাদক কারবারি গাজীর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, অভিযানে প্রায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা, ১০০ পিস ইয়াবা, ২ পুরিয়া হেরোইন, বেশ কিছু ধারালো দেশীয় অস্ত্র এবং ২৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় গাজীর মেয়ে লিজা ও ভাতিজা বাবুকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। তবে গাজী নিজে অভিযানের আগেই বিষয়টি আঁচ করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

আরও পড়ুন  ট্রেনের টিকিট নিয়ে দুর্নীতি: ঈদযাত্রায় আট রেলস্টেশনে দুদকের অভিযান শুরু

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নবীগঞ্জ রসুলবাগ এলাকায় গাজীর বাড়ি ছিল মাদক কারবারের এক সক্রিয় ঘাঁটি। এলাকাবাসী বহুবার অভিযোগ করলেও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় গাজী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এবার যৌথবাহিনী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। গাজীর মেয়ে লিজা ও ভাতিজা বাবুকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মূল অভিযুক্ত গাজী পালিয়ে গেলেও তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।”

অভিযান পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। এলাকাবাসী আশা করছে, প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপ নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকলে মাদক কারবারীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং এলাকাটি পুনরায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে যৌথবাহিনীর অভিযান: মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ২

আপডেট সময় ০২:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদক ও ধারালো অস্ত্রসহ গাজীর মেয়ে ও ভাতিজাকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জুন) রাতে নবীগঞ্জের রসুলবাগ এলাকার কুখ্যাত মাদক কারবারি গাজীর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, অভিযানে প্রায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা, ১০০ পিস ইয়াবা, ২ পুরিয়া হেরোইন, বেশ কিছু ধারালো দেশীয় অস্ত্র এবং ২৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় গাজীর মেয়ে লিজা ও ভাতিজা বাবুকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। তবে গাজী নিজে অভিযানের আগেই বিষয়টি আঁচ করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

আরও পড়ুন  নির্বাচন পর্যন্ত দেশজুড়ে চলবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযান: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নবীগঞ্জ রসুলবাগ এলাকায় গাজীর বাড়ি ছিল মাদক কারবারের এক সক্রিয় ঘাঁটি। এলাকাবাসী বহুবার অভিযোগ করলেও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় গাজী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এবার যৌথবাহিনী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। গাজীর মেয়ে লিজা ও ভাতিজা বাবুকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মূল অভিযুক্ত গাজী পালিয়ে গেলেও তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।”

অভিযান পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। এলাকাবাসী আশা করছে, প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপ নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকলে মাদক কারবারীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং এলাকাটি পুনরায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরে যাবে।