১০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

শিক্ষকদের অনাস্থায় কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • / 130

ছবি সংগৃহীত

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হযরত আলী অবশেষে পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষকদের অনাস্থা এবং টানা আন্দোলনের মুখে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকেলে কুয়েট রেজিস্ট্রার ইঞ্জিনিয়ার মো. আনিসুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অধ্যাপক হযরত আলী লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মাত্র ১৮ দিন আগে, ৪ মে তিনি কুয়েটের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু দায়িত্ব নেয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি তাঁর ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে। এরপর তাঁকে অপসারণ ও পদত্যাগের দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তাঁর প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষক মহলে অসন্তোষ দেখা দেয়। একপর্যায়ে কুয়েট শিক্ষক সমিতি জরুরি সভা ডেকে অধ্যাপক হযরত আলীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অনাস্থা প্রকাশ করে এবং তাঁকে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানায়।

এই দাবির প্রেক্ষিতে কুয়েট ক্যাম্পাসে শিক্ষকরা কর্মবিরতি ও বিভিন্ন বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। তাদের অবস্থান ছিল, প্রশাসনের নেতৃত্বে এমন একজনকে থাকতে হবে যিনি শিক্ষক ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে সক্ষম। শিক্ষকদের এই অবস্থানের মুখে কোনো প্রতিবাদ না করে শান্তিপূর্ণভাবে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক হযরত আলী।

এদিকে, উপাচার্যের পদত্যাগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নেতৃত্ব নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। শিক্ষকরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে যোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ কাউকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে আনা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানায় কুয়েট প্রশাসন।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শিক্ষক ও প্রশাসনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অনেকেই মনে করছেন, সুষ্ঠু প্রশাসন ও একাডেমিক পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষকদের অনাস্থায় কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগ

আপডেট সময় ০৩:০২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হযরত আলী অবশেষে পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষকদের অনাস্থা এবং টানা আন্দোলনের মুখে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকেলে কুয়েট রেজিস্ট্রার ইঞ্জিনিয়ার মো. আনিসুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অধ্যাপক হযরত আলী লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মাত্র ১৮ দিন আগে, ৪ মে তিনি কুয়েটের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু দায়িত্ব নেয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি তাঁর ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে। এরপর তাঁকে অপসারণ ও পদত্যাগের দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তাঁর প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষক মহলে অসন্তোষ দেখা দেয়। একপর্যায়ে কুয়েট শিক্ষক সমিতি জরুরি সভা ডেকে অধ্যাপক হযরত আলীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অনাস্থা প্রকাশ করে এবং তাঁকে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানায়।

এই দাবির প্রেক্ষিতে কুয়েট ক্যাম্পাসে শিক্ষকরা কর্মবিরতি ও বিভিন্ন বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। তাদের অবস্থান ছিল, প্রশাসনের নেতৃত্বে এমন একজনকে থাকতে হবে যিনি শিক্ষক ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে সক্ষম। শিক্ষকদের এই অবস্থানের মুখে কোনো প্রতিবাদ না করে শান্তিপূর্ণভাবে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক হযরত আলী।

এদিকে, উপাচার্যের পদত্যাগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নেতৃত্ব নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। শিক্ষকরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে যোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ কাউকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে আনা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানায় কুয়েট প্রশাসন।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শিক্ষক ও প্রশাসনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অনেকেই মনে করছেন, সুষ্ঠু প্রশাসন ও একাডেমিক পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতা এখন সময়ের দাবি।