ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বার্তা ইউটিউব দেখে বিকল্প জ্বালানি তৈরির চেষ্টা: বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই, মে মাসে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান দল বেলারুশ—পূর্ব ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও ইতিহাসের দেশ সংসদ ওয়াকআউট করে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করবেন না: স্পিকার সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলে ভারতের সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়বে না : বাণিজ্য উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 211

ছবি সংগৃহীত

 

ভারতের হঠাৎ করে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমেই এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আগেই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা ছিলেন, এমনকি ক্রেতারাও উপস্থিত ছিলেন। সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সংকট মোকাবিলার পথ খোঁজা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন  চামড়ার দরপতন নিয়ে আগামী বছর থাকবে সামষ্টিক কর্মপরিকল্পনা: বাণিজ্য উপদেষ্টা

তিনি আরও বলেন, “আমাদের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে। যাতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ি, সেই লক্ষ্যেই আমরা অগ্রসর হচ্ছি। শুধু ব্যবসায়িক সক্ষমতাই নয়, যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত করা হচ্ছে, যাতে পণ্য পরিবহনে কোনো বাধা না আসে।”

ভারত ২০২০ সালের ২৯ জুনের আদেশের মাধ্যমে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা চালু করেছিল, যার আওতায় বাংলাদেশের পণ্য ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে যাওয়ার সুযোগ পেত। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC) সেই সুবিধা বাতিল করেছে।

এ বিষয়ে সরকারের করণীয় কী হতে পারে জানতে চাইলে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক নয়, অবকাঠামো ও খরচ বৃদ্ধির সঙ্গেও জড়িত। এসব নিয়েই কাজ চলছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এর সমাধান বের হবে।”

তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে ভারতের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা নেই। “আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। এখনই প্রতিক্রিয়া হিসেবে চিঠি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা যাচ্ছে না,” বলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও পাল্টা ট্রানজিট সুবিধা বাতিলের দাবির প্রসঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, “এটি আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। আমার কাজ হচ্ছে দেশের সক্ষমতা বাড়ানো।”

বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর বাড়তি শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে, যা আপাতত একটি স্বস্তির বিষয়। “এই সময়ের মধ্যেই আমরা পরিকল্পনা সাজাতে পারব,” বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলে ভারতের সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়বে না : বাণিজ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 

ভারতের হঠাৎ করে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমেই এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আগেই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা ছিলেন, এমনকি ক্রেতারাও উপস্থিত ছিলেন। সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সংকট মোকাবিলার পথ খোঁজা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন  আ. লীগের অনিয়মের ফলেই আজ সংকট ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন পড়েছে : বাণিজ্য উপদেষ্টা

তিনি আরও বলেন, “আমাদের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে। যাতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ি, সেই লক্ষ্যেই আমরা অগ্রসর হচ্ছি। শুধু ব্যবসায়িক সক্ষমতাই নয়, যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত করা হচ্ছে, যাতে পণ্য পরিবহনে কোনো বাধা না আসে।”

ভারত ২০২০ সালের ২৯ জুনের আদেশের মাধ্যমে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা চালু করেছিল, যার আওতায় বাংলাদেশের পণ্য ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে যাওয়ার সুযোগ পেত। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC) সেই সুবিধা বাতিল করেছে।

এ বিষয়ে সরকারের করণীয় কী হতে পারে জানতে চাইলে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক নয়, অবকাঠামো ও খরচ বৃদ্ধির সঙ্গেও জড়িত। এসব নিয়েই কাজ চলছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এর সমাধান বের হবে।”

তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে ভারতের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা নেই। “আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। এখনই প্রতিক্রিয়া হিসেবে চিঠি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা যাচ্ছে না,” বলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও পাল্টা ট্রানজিট সুবিধা বাতিলের দাবির প্রসঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, “এটি আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। আমার কাজ হচ্ছে দেশের সক্ষমতা বাড়ানো।”

বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর বাড়তি শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে, যা আপাতত একটি স্বস্তির বিষয়। “এই সময়ের মধ্যেই আমরা পরিকল্পনা সাজাতে পারব,” বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।