ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলে ভারতের সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়বে না : বাণিজ্য উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 147

ছবি সংগৃহীত

 

ভারতের হঠাৎ করে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমেই এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আগেই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা ছিলেন, এমনকি ক্রেতারাও উপস্থিত ছিলেন। সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সংকট মোকাবিলার পথ খোঁজা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন  নেপালের রাষ্ট্রদূতকে বাণিজ্য উপদেষ্টা: বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত

তিনি আরও বলেন, “আমাদের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে। যাতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ি, সেই লক্ষ্যেই আমরা অগ্রসর হচ্ছি। শুধু ব্যবসায়িক সক্ষমতাই নয়, যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত করা হচ্ছে, যাতে পণ্য পরিবহনে কোনো বাধা না আসে।”

ভারত ২০২০ সালের ২৯ জুনের আদেশের মাধ্যমে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা চালু করেছিল, যার আওতায় বাংলাদেশের পণ্য ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে যাওয়ার সুযোগ পেত। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC) সেই সুবিধা বাতিল করেছে।

এ বিষয়ে সরকারের করণীয় কী হতে পারে জানতে চাইলে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক নয়, অবকাঠামো ও খরচ বৃদ্ধির সঙ্গেও জড়িত। এসব নিয়েই কাজ চলছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এর সমাধান বের হবে।”

তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে ভারতের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা নেই। “আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। এখনই প্রতিক্রিয়া হিসেবে চিঠি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা যাচ্ছে না,” বলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও পাল্টা ট্রানজিট সুবিধা বাতিলের দাবির প্রসঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, “এটি আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। আমার কাজ হচ্ছে দেশের সক্ষমতা বাড়ানো।”

বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর বাড়তি শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে, যা আপাতত একটি স্বস্তির বিষয়। “এই সময়ের মধ্যেই আমরা পরিকল্পনা সাজাতে পারব,” বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিলে ভারতের সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়বে না : বাণিজ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 

ভারতের হঠাৎ করে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমেই এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আগেই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা ছিলেন, এমনকি ক্রেতারাও উপস্থিত ছিলেন। সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সংকট মোকাবিলার পথ খোঁজা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন  প্রয়োজন অনুযায়ী টিসিবির কার্ড প্রদান করবে সরকার

তিনি আরও বলেন, “আমাদের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়াতে কাজ চলছে। যাতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ি, সেই লক্ষ্যেই আমরা অগ্রসর হচ্ছি। শুধু ব্যবসায়িক সক্ষমতাই নয়, যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত করা হচ্ছে, যাতে পণ্য পরিবহনে কোনো বাধা না আসে।”

ভারত ২০২০ সালের ২৯ জুনের আদেশের মাধ্যমে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা চালু করেছিল, যার আওতায় বাংলাদেশের পণ্য ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে যাওয়ার সুযোগ পেত। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (CBIC) সেই সুবিধা বাতিল করেছে।

এ বিষয়ে সরকারের করণীয় কী হতে পারে জানতে চাইলে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক নয়, অবকাঠামো ও খরচ বৃদ্ধির সঙ্গেও জড়িত। এসব নিয়েই কাজ চলছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এর সমাধান বের হবে।”

তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে ভারতের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা নেই। “আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। এখনই প্রতিক্রিয়া হিসেবে চিঠি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা যাচ্ছে না,” বলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও পাল্টা ট্রানজিট সুবিধা বাতিলের দাবির প্রসঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, “এটি আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। আমার কাজ হচ্ছে দেশের সক্ষমতা বাড়ানো।”

বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর বাড়তি শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে, যা আপাতত একটি স্বস্তির বিষয়। “এই সময়ের মধ্যেই আমরা পরিকল্পনা সাজাতে পারব,” বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।