ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টানা দামে আগুন: ভরিতে ২.৪৭ লাখ ছাড়াল স্বর্ণ, চাপে ক্রেতারা দীর্ঘদিন সংসার করলে স্বামী-স্ত্রীর চেহারা কি সত্যিই মিলে যায়? আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে বিমানবাহিনীর ‘আকাশ বিজয়’ মহড়া ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় রিকশাচালকসহ নিহত ২ কালবৈশাখীর শঙ্কা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস শিল্প খাতের সংকট নিরসনে আজ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে নিঃস্ব দুই পরিবার ছিনতাইকারীর কবলে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশুশিল্পী ঋদ্ধি পেন্টাগনের স্বীকারোক্তি: ইরান যুদ্ধে নিহত ১৩, আহত ৩ শতাধিক মার্কিন সেনা

শপআপের নতুন দিগন্ত: মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তার, পেল হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 219

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশি স্টার্টআপ শপআপ এবার ব্যবসার নতুন দিগন্তে পা রেখেছে। সৌদি আরবভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘সারি’র সঙ্গে একীভূত হয়ে গঠিত হয়েছে একটি নতুন কোম্পানি, যার নাম ‘সিল্ক গ্রুপ’। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু শপআপ নয়, বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতও পৌঁছে গেল আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মূলধারায়।

ব্লুমবার্গসহ একাধিক আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই একীভূতকরণের ফলে শপআপ পেয়েছে প্রায় ১১ কোটি মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা) বিনিয়োগ। বিনিয়োগ এসেছে সৌদি সরকারের পিআইএফের সানাবিল ইনভেস্টমেন্ট, পেপ্যাল সহ-প্রতিষ্ঠাতা পিটার থিয়েলের ভেঞ্চার ফান্ড, ই-বে’র প্রতিষ্ঠাতা পিয়ের ওমিডিয়ার, কুয়েতের ওয়াফ্রা এবং কাতার ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রভাবশালী বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান থেকে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের শুল্ক আলোচনায় কূটনৈতিক সাফল্য দেখছেন ড্যানিলোভিচ

যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে আজ বুধবার থেকে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলনে এই চুক্তি ও বিনিয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হতে পারে।

প্রতিষ্ঠান দুটি একীভূত হলেও নিজেদের নামে ও ব্যবস্থাপনায় আলাদা ভাবেই ব্যবসা পরিচালনা করবে শপআপ ও সারি। নতুন ‘সিল্ক গ্রুপ’ হবে মূল নিয়ন্ত্রক কোম্পানি, যার অধীনে তারা সৌদি আরব ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে যাত্রা শুরু করা শপআপ মূলত একটি হোলসেল মার্কেটপ্লেস। তারা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য সংগ্রহ করে সেগুলো গুদামজাত করে পরিবেশক ও ক্ষুদ্র মুদি দোকানে সরবরাহ করে থাকে। বর্তমানে সারা বাংলাদেশে শপআপের রয়েছে ২০০টিরও বেশি পরিবেশক কেন্দ্র বা হাব।

তাদের সেবা শুধু পণ্য সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ চেইনে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবকাঠামো উন্নয়ন ও আর্থিক সাপোর্টও দিয়ে থাকে।

এই নতুন চুক্তি বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য বড় ধরনের স্বীকৃতি ও সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিল। শুধু বিনিয়োগই নয়, এটি প্রযুক্তি, দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ এনে দিচ্ছে দেশের উদ্যোক্তাদের জন্য। শপআপের এই অগ্রযাত্রা নিঃসন্দেহে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে উঠবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শপআপের নতুন দিগন্ত: মধ্যপ্রাচ্যে বিস্তার, পেল হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ

আপডেট সময় ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

 

বাংলাদেশি স্টার্টআপ শপআপ এবার ব্যবসার নতুন দিগন্তে পা রেখেছে। সৌদি আরবভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘সারি’র সঙ্গে একীভূত হয়ে গঠিত হয়েছে একটি নতুন কোম্পানি, যার নাম ‘সিল্ক গ্রুপ’। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু শপআপ নয়, বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতও পৌঁছে গেল আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মূলধারায়।

ব্লুমবার্গসহ একাধিক আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই একীভূতকরণের ফলে শপআপ পেয়েছে প্রায় ১১ কোটি মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা) বিনিয়োগ। বিনিয়োগ এসেছে সৌদি সরকারের পিআইএফের সানাবিল ইনভেস্টমেন্ট, পেপ্যাল সহ-প্রতিষ্ঠাতা পিটার থিয়েলের ভেঞ্চার ফান্ড, ই-বে’র প্রতিষ্ঠাতা পিয়ের ওমিডিয়ার, কুয়েতের ওয়াফ্রা এবং কাতার ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রভাবশালী বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান থেকে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ থেকে সৌদিতে ৪৭,৪২০ হজযাত্রীর যাত্রা সম্পন্ন

যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে আজ বুধবার থেকে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলনে এই চুক্তি ও বিনিয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হতে পারে।

প্রতিষ্ঠান দুটি একীভূত হলেও নিজেদের নামে ও ব্যবস্থাপনায় আলাদা ভাবেই ব্যবসা পরিচালনা করবে শপআপ ও সারি। নতুন ‘সিল্ক গ্রুপ’ হবে মূল নিয়ন্ত্রক কোম্পানি, যার অধীনে তারা সৌদি আরব ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে যাত্রা শুরু করা শপআপ মূলত একটি হোলসেল মার্কেটপ্লেস। তারা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য সংগ্রহ করে সেগুলো গুদামজাত করে পরিবেশক ও ক্ষুদ্র মুদি দোকানে সরবরাহ করে থাকে। বর্তমানে সারা বাংলাদেশে শপআপের রয়েছে ২০০টিরও বেশি পরিবেশক কেন্দ্র বা হাব।

তাদের সেবা শুধু পণ্য সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ চেইনে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবকাঠামো উন্নয়ন ও আর্থিক সাপোর্টও দিয়ে থাকে।

এই নতুন চুক্তি বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য বড় ধরনের স্বীকৃতি ও সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিল। শুধু বিনিয়োগই নয়, এটি প্রযুক্তি, দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ এনে দিচ্ছে দেশের উদ্যোক্তাদের জন্য। শপআপের এই অগ্রযাত্রা নিঃসন্দেহে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে উঠবে।