ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

যশোরের চৌগাছায় বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজের চাষ, চারা বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ৫ কোটি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 390

যশোরের চৌগাছায় বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজের চাষ, চারা বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ৫ কোটি

ছবি: সংগৃহিত

 

চৌগাছায় পেঁয়াজের চারা বিক্রিতে ৫ কোটি টাকার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন কৃষকরা। মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে লাভবান হওয়ায় এবার উপজেলার কৃষকরা ব্যাপক হারে পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দ্বিগুণ জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  যশোরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত

কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। চারার উৎপাদনে প্রাথমিক খরচ ছিল প্রায় ২০ হাজার টাকা, আর জমি থেকে পেঁয়াজ তোলার সময় আরও ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। সবকিছু সঠিকভাবে হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৫০-৬০ মণ পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করছেন, যার বাজারমূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা হতে পারে। এতে করে কৃষকরা ৬০-৭০ হাজার টাকা মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনা দেখছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ২৬০ জনের বেশি চাষিকে প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিজন চাষিকে ১ কেজি নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজের বীজ, ২০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার এবং নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

 চৌগাছা উপজেলায় এ মৌসুমে ৮২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ইতিমধ্যে ১২২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপণ হয়েছে। চাষিদের মতে, এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। চৌগাছার উর্বর মাটি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজ চাষ শুরু করেছেন। ফলে এ বছর পেঁয়াজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন তারা।  চৌগাছার পেঁয়াজ চাষীদের এ উদ্যোগ কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা রাখছেন চাষিরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যশোরের চৌগাছায় বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজের চাষ, চারা বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ৫ কোটি

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহিত

 

চৌগাছায় পেঁয়াজের চারা বিক্রিতে ৫ কোটি টাকার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন কৃষকরা। মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে লাভবান হওয়ায় এবার উপজেলার কৃষকরা ব্যাপক হারে পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দ্বিগুণ জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে ভুয়া চিকিৎসক আটক

কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। চারার উৎপাদনে প্রাথমিক খরচ ছিল প্রায় ২০ হাজার টাকা, আর জমি থেকে পেঁয়াজ তোলার সময় আরও ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। সবকিছু সঠিকভাবে হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৫০-৬০ মণ পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করছেন, যার বাজারমূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা হতে পারে। এতে করে কৃষকরা ৬০-৭০ হাজার টাকা মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনা দেখছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ২৬০ জনের বেশি চাষিকে প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিজন চাষিকে ১ কেজি নাসিক এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজের বীজ, ২০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার এবং নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

 চৌগাছা উপজেলায় এ মৌসুমে ৮২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ইতিমধ্যে ১২২ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের চারা রোপণ হয়েছে। চাষিদের মতে, এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। চৌগাছার উর্বর মাটি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজ চাষ শুরু করেছেন। ফলে এ বছর পেঁয়াজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন তারা।  চৌগাছার পেঁয়াজ চাষীদের এ উদ্যোগ কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা রাখছেন চাষিরা।