ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ধলই সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন: নারী-শিশুসহ আটক ১৫ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 127

ছবি সংগৃহীত

 

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করার সময় নারী-শিশুসহ ১৫ জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আটকদের মধ্যে রয়েছে ৯ জন পুরুষ, ৩ জন নারী ও ৩ জন শিশু। এদের বাড়ি বাংলাদেশের নড়াইল, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।

কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শীব নারায়ণ শীল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার (৭ মে) ভোরে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে বিজিবি ১৫ জনকে আটক করে। আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ভারতের আসাম রাজ্যে বসবাস করছিলেন।

আরও পড়ুন  মৌলভীবাজার সীমান্তে ৪৮ বাংলাদেশিকে পুশইন করল বিএসএফ

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হঠাৎ করেই ভারতীয় পুলিশ তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেয় এবং হেলিকপ্টারে করে ত্রিপুরার মানিকভাণ্ডারে এনে বিএসএফের (ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী) কাছে হস্তান্তর করে। এরপর বিএসএফের সদস্যরা ধলই সীমান্ত দিয়ে গেইট খুলে কয়েকজনকে ‘পুশ ইন’ করে দেয়, যাদের মধ্যে তারা ১৫ জন বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তারা জানান, মোট প্রায় তিন শতাধিক লোক ছিল, তবে বাকিদের কোন সীমান্ত দিয়ে পাঠানো হয়েছে, তা তারা জানাতে পারেননি।

আটকের পর প্রথমে বিজিবি বিষয়টি গোপন রাখলেও, পরে বুধবার সকালে তাদের কমলগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে পুনরায় ধলই সীমান্তে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর ঘটনা জানাজানি হলে আটক ব্যক্তিদের ধলই সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত সিপাহী হামিদুর রহমান জাদুঘরে রাখা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মো. জাকারিয়া জানান, “আটক ব্যক্তিরা সবাই বাংলা ভাষায় কথা বলছেন। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এই ঘটনার পর মৌলভীবাজার জেলার সব সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি। পাশাপাশি, সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকায় এমন অনুপ্রবেশের ঘটনা নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ তৈরি করছে এবং দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান প্রয়োজন।

সরকারি পর্যায়ে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি ঘটনার উপর নজর রাখছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ধলই সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন: নারী-শিশুসহ আটক ১৫ জন

আপডেট সময় ০৮:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করার সময় নারী-শিশুসহ ১৫ জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আটকদের মধ্যে রয়েছে ৯ জন পুরুষ, ৩ জন নারী ও ৩ জন শিশু। এদের বাড়ি বাংলাদেশের নড়াইল, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।

কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শীব নারায়ণ শীল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার (৭ মে) ভোরে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে বিজিবি ১৫ জনকে আটক করে। আটকদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ভারতের আসাম রাজ্যে বসবাস করছিলেন।

আরও পড়ুন  মৌলভীবাজারে পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধে ২ বোনকে কুপিয়ে হত্যা

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হঠাৎ করেই ভারতীয় পুলিশ তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেয় এবং হেলিকপ্টারে করে ত্রিপুরার মানিকভাণ্ডারে এনে বিএসএফের (ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী) কাছে হস্তান্তর করে। এরপর বিএসএফের সদস্যরা ধলই সীমান্ত দিয়ে গেইট খুলে কয়েকজনকে ‘পুশ ইন’ করে দেয়, যাদের মধ্যে তারা ১৫ জন বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তারা জানান, মোট প্রায় তিন শতাধিক লোক ছিল, তবে বাকিদের কোন সীমান্ত দিয়ে পাঠানো হয়েছে, তা তারা জানাতে পারেননি।

আটকের পর প্রথমে বিজিবি বিষয়টি গোপন রাখলেও, পরে বুধবার সকালে তাদের কমলগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে পুনরায় ধলই সীমান্তে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর ঘটনা জানাজানি হলে আটক ব্যক্তিদের ধলই সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত সিপাহী হামিদুর রহমান জাদুঘরে রাখা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মো. জাকারিয়া জানান, “আটক ব্যক্তিরা সবাই বাংলা ভাষায় কথা বলছেন। যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এই ঘটনার পর মৌলভীবাজার জেলার সব সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি। পাশাপাশি, সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকায় এমন অনুপ্রবেশের ঘটনা নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ তৈরি করছে এবং দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান প্রয়োজন।

সরকারি পর্যায়ে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি ঘটনার উপর নজর রাখছে।