০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

ঈদ উৎসবে ঐতিহ্যের ছোঁয়া: উত্তরে প্রস্তুতি চলছে বর্ণিল ঈদ মিছিলের- জানালেন আসিফ মাহমুদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • / 220

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবার রাজধানীবাসী পাচ্ছে ভিন্নধর্মী এক ঈদ আয়োজন। ঈদের নামাজ শেষে আয়োজিত হচ্ছে সুলতানি ও মোগল আমলের ঐতিহ্যবাহী ঈদ আনন্দ মিছিল। রাজধানীর উত্তরের জনগণের জন্য আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত এবং এর পরপরই শুরু হবে বর্ণাঢ্য ঈদ মিছিল।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, “সময়ের স্বল্পতা থাকলেও ঈদ আয়োজন সফল করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।” বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “পুরোদমে চলছে ঈদ মিছিলের প্রস্তুতি। মিছিলে আসছে ঐতিহাসিক ঐরাবতও, আপনি আসছেন তো?”

বিজ্ঞাপন

রোববার নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, “ঐতিহ্যবাহী জাতীয় ঈদগাহে দক্ষিণ ও মধ্য ঢাকার মানুষ সহজেই অংশ নিতে পারলেও উত্তর ঢাকার বহু মানুষ বঞ্চিত হন। তাই ডিএনসিসির এই আয়োজন, যাতে উত্তর ছাড়াও দক্ষিণ সিটির মানুষও অংশ নিতে পারেন আনন্দমিছিলে।”

ঈদের জামাত শুরু হবে সকাল ৮টায়। সেখানে একসঙ্গে কয়েক লাখ মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন। নারীদের জন্যও থাকবে পৃথক নামাজের ব্যবস্থা।

এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, “ঈদের আনন্দমিছিলকে আরও আকর্ষণীয় করতে থাকছে ব্যান্ড পার্টি, সজ্জিত হাতি ও ঘোড়ার শোভাযাত্রা। এই আয়োজন রাজধানীর মানুষকে ফিরিয়ে নেবে প্রাচীনকালের ঈদ উৎসবের রঙে।”

ঈদ মেলাও বসবে মাঠজুড়ে, যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী খাবার, পণ্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ফ্যাসিস্ট সরকার-পরবর্তী সময়ে জনগণের মাঝে উৎসবের আবহ ফেরাতে এই আয়োজনকে এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঈদ আনন্দে ভাসবে পুরো উত্তর ঢাকা, আর এই আয়োজনের মাধ্যমে ঢাকাবাসী প্রত্যক্ষ করবে এক ঐতিহাসিক ঈদ উৎসব, যা আনন্দের পাশাপাশি ছড়িয়ে দেবে ঐতিহ্যের ঘ্রাণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদ উৎসবে ঐতিহ্যের ছোঁয়া: উত্তরে প্রস্তুতি চলছে বর্ণিল ঈদ মিছিলের- জানালেন আসিফ মাহমুদ

আপডেট সময় ০৪:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবার রাজধানীবাসী পাচ্ছে ভিন্নধর্মী এক ঈদ আয়োজন। ঈদের নামাজ শেষে আয়োজিত হচ্ছে সুলতানি ও মোগল আমলের ঐতিহ্যবাহী ঈদ আনন্দ মিছিল। রাজধানীর উত্তরের জনগণের জন্য আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত এবং এর পরপরই শুরু হবে বর্ণাঢ্য ঈদ মিছিল।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, “সময়ের স্বল্পতা থাকলেও ঈদ আয়োজন সফল করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।” বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “পুরোদমে চলছে ঈদ মিছিলের প্রস্তুতি। মিছিলে আসছে ঐতিহাসিক ঐরাবতও, আপনি আসছেন তো?”

বিজ্ঞাপন

রোববার নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, “ঐতিহ্যবাহী জাতীয় ঈদগাহে দক্ষিণ ও মধ্য ঢাকার মানুষ সহজেই অংশ নিতে পারলেও উত্তর ঢাকার বহু মানুষ বঞ্চিত হন। তাই ডিএনসিসির এই আয়োজন, যাতে উত্তর ছাড়াও দক্ষিণ সিটির মানুষও অংশ নিতে পারেন আনন্দমিছিলে।”

ঈদের জামাত শুরু হবে সকাল ৮টায়। সেখানে একসঙ্গে কয়েক লাখ মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করতে পারবেন। নারীদের জন্যও থাকবে পৃথক নামাজের ব্যবস্থা।

এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, “ঈদের আনন্দমিছিলকে আরও আকর্ষণীয় করতে থাকছে ব্যান্ড পার্টি, সজ্জিত হাতি ও ঘোড়ার শোভাযাত্রা। এই আয়োজন রাজধানীর মানুষকে ফিরিয়ে নেবে প্রাচীনকালের ঈদ উৎসবের রঙে।”

ঈদ মেলাও বসবে মাঠজুড়ে, যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী খাবার, পণ্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ফ্যাসিস্ট সরকার-পরবর্তী সময়ে জনগণের মাঝে উৎসবের আবহ ফেরাতে এই আয়োজনকে এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঈদ আনন্দে ভাসবে পুরো উত্তর ঢাকা, আর এই আয়োজনের মাধ্যমে ঢাকাবাসী প্রত্যক্ষ করবে এক ঐতিহাসিক ঈদ উৎসব, যা আনন্দের পাশাপাশি ছড়িয়ে দেবে ঐতিহ্যের ঘ্রাণ।